সকাল সকাল উত্তেজনা পছন্দ নয় দীপিকার! ছবি: সংগৃহীত।
টানা টানা চোখে কাজল, নজরকাড়া হাসি। ছিপছিপে দীর্ঘাঙ্গী নায়িকার রূপে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক। ২০০৭ সালে ‘ওম শান্তি ওম’-এ প্রথম আত্মপ্রকাশ দীপিকা পাড়ুকোনের। তার পরে কেটে গিয়েছে অনেকটা সময়। এখন তিনি প্রথম সারির নায়িকা। পাশাপাশি সংসারী ও এক সন্তানের মা। কিন্তু চেহারায় বদল আসেনি। কালের নিয়মে মুখে সামান্য পরিবর্তন এলেও সৌন্দর্য বৃদ্ধিই হয়েছে। সোমবার ৪০ বছর পূর্ণ হল দীপিকার। কিন্তু এখনও কী ভাবে তিনি এমন ছিপছিপে ও সুস্থ?
বরাবরই খাওয়াদাওয়া নিয়ে সচেতন দীপিকা। জীবনযাপনও নিয়মে মোড়া। পুষ্টিবিদ ও শরীরচর্চা প্রশিক্ষকের ঠিক করে দেওয়া খাওয়াদাওয়া ও নিয়মের মধ্যে থাকেন তিনি। নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, দিনে ছ’বার খাবার খান। এর মধ্যে প্রাতরাশ, মধ্যাহ্নভোজ ও নৈশভোজ ছাড়াও বেশ কয়েকবার খাবার খান তিনি।
দীপিকার রোজকার জীবনে প্রাতরাশে দক্ষিণী খাবার আবশ্যিক। দক্ষিণী খাবারে তেলের পরিমাণ কম থাকে। তাই অভিনেত্রীর সকাল শুরু হয় ই়ডলি, দোসা অথবা উপমা দিয়ে। তবে প্রোটিনের দিকটিও মাথায় রাখেন দীপিকা। তাই প্রাতরাশে রাখেন ডিমের সাদা অংশ।
সকালে বেশি উত্তেজনা, হইহই পছন্দ করেন না দীপিকা। নিজেই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, সকালবেলা তাঁর জীবনে শান্ত পরিবেশ চাই-ই চাই। সকালবেলা হইহই করলে তিনি সারাদিনের কাজে মন দিতে পারেন না। দীপিকা বরাবর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলে এসেছেন। তার পাশাপাশি শারীরিক ভাবে সুস্থতাকেও তিনি গুরুত্ব দেন। সেই জন্য নিয়ম করে প্রতিদিন জিমের জন্য সময় বার করেন। কার্ডিয়ো করার পাশাপাশি পেশি শক্ত করার শরীরচর্চাও করেন তিনি।
খাওয়াদাওয়ার দিকটা সাধারণ রাখার চেষ্টা করেন দীপিকা। মধ্যাহ্নভোজে রুটির সঙ্গে মরসুমি সবজি ও শাক খেতে পছন্দ করেন। আমিষ খাবারের মধ্যে পছন্দ করেন গ্রিল করা মাছ। নৈশভোজে সাধারণত একবাটি স্যুপ ও রসম ভাত (দক্ষিণী খাবার) খেতে পছন্দ করেন দীপিকা। আর গত কয়েক বছর ধরে ‘জাঙ্ক ফু়ড’ একেবারে বাদ দিয়েছেন অভিনেত্রী।