Dia Mirza son

ডাববিক্রেতাকে বকছে দিয়ার পাঁচ বছরের ছেলে! ‘গর্বিত’ মায়ের সমালোচনায় অনুরাগীরা

প্লাস্টিক ব্যবহার নিয়ে প্রাপ্তবয়স্ক ডাববিক্রেতাকে দু-চার কথা শোনায় দিয়ার পাঁচ বছরের ছেলে। ছেলের জন্য গর্বিত মা। পাল্টা কী প্রতিক্রিয়া নেটপাড়ার?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ১৫:০১
Share:

ছেলের সঙ্গে দিয়া মির্জা। ছবি: সংগৃহীত।

পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের জন্যই নাকি পরিবেশের অবনতি হচ্ছে, এক আলোচনাসভায় গিয়ে মন্তব্য করেছিলেন দিয়া মির্জ়া। তার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে তিনি। এ বার বিতর্কে দিয়ার পাঁচ বছরের ছেলে আব্যান আজ়াদ রেখি। অভিনেত্রীর ছেলে নাকি প্লাস্টিক ব্যবহারের বিষয়ে প্রাপ্তবয়স্ক ‘ডেলিভারি বয়’কে দু-চার কথা শুনিয়েছে। তাতে ছেলের জন্য গর্বিত মা। সেই শুনে নেটপাড়ায় কটাক্ষের বন্যা।

Advertisement

সম্প্রতি সোহা আলি খানের পডকাস্টে গিয়ে দিয়া বলেন, ‘‘সম্প্রতি আমাদের বাড়িতে ডাব দিতে এসেছিলেন এক জন। তবে সেটি দিয়েছিলেন একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে, সঙ্গে দিয়েছিলেন একটি প্লাস্টিকের স্ট্র। সে দিন দরজা খোলে আমার পাঁচ বছরের ছেলে। সে ওই ভদ্রলোকের হাতে এত কিছু দেখে বলে, ‘দাদা আমাদের বাড়িতে প্লাস্টিক ঢোকে না। আপনি ডাবটা প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে বার করুন। এ বার সেটাকে নীচে রাখুন এবং স্ট্র-টা নিয়ে চলে যান’।’’ তাঁর ছোট্ট ছেলেকে যে এখন থেকেই পরিবেশবান্ধব হওয়ার শিক্ষা দিতে পেরেছেন, সেটাই জানিয়েছেন ওই পডকাস্টে।

যদিও নেটপাড়ার একটা বড় অংশ দিয়ার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। শুধু তা-ই নয়, কটাক্ষের নিশানায় তাঁর পাঁচ বছরের পুত্র। কারও মতে, ‘‘ভাবুন তো, যে ব্যক্তি আপনাকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাতেও একটি পরিষেবা দিচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে এত অভদ্র ভাবে এবং এমন অহঙ্কার নিয়ে কথা বলা কি উচিত? আমার মনে হয়, আপনি শালীনতাবোধ হারিয়ে ফেলেছেন। যদি আপনার প্লাস্টিক ব্যবহারে আপত্তি থাকে, তা হলে নিজে গিয়ে ডাব কিনে আনুন এবং কাগজের ব্যাগে করে বাড়িতে নিয়ে আসুন। কেউ কিচ্ছু বলবে না। কিন্তু এ সব বলার পরে সেই আপনিই মেকআপ করে, ক্যামেরার সামনে মার্জিত সাজার ভান করেন! কী হাস্যকর।’’

Advertisement

কেউ লিখেছেন, ‘‘গরিব ডাববিক্রেতাকে একটি শিশু প্লাস্টিক ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বকা দিচ্ছে, অথচ প্রাপ্তবয়স্কেরা এটাকে ‘বড়দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো’র নাম দিয়ে উদ্‌যাপন করছে।’’ একাধিক নেটাগরিকই দিয়ার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও দিয়া এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নীরব।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement