পরিচালকদের সংগঠন আলোচনায় রাজি, কী প্রতিক্রিয়া স্বরূপের? ছবি: সংগৃহীত।
মঙ্গলবার ‘টেকনিশিয়ান স্টুডিয়ো’য় সাংবাদিকদের সামনে প্রযোজক-অভিনেতা এবং সাংসদ দেব ঘোষণা করলেন, “আর কোনও ‘ব্যান কালচার’ নয়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বৈঠকে জানিয়েছেন, যে সমস্ত পরিচালক, অভিনেতা এই ‘সংস্কৃতি’র কারণে দীর্ঘ দিন বসে রয়েছেন, স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের কাজে ফেরাবেন তিনি।” এই ঘোষণার পরে তিন দিন কাটেনি। তার আগেই এল পরিচালকদের গিল্ড, অর্থাৎ ‘ডিরেক্টরর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া’র চিঠি।
চিঠির মাধ্যমে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং দেবকে জানানো হয়েছে, পরিচালকদের গিল্ড এই সমস্যার সমাধান করতে রাজি। আনন্দবাজার ডট কম-কে গিল্ডের সভাপতি শৈবাল মিত্র বলেন, “‘ব্যান’ উঠে গেল, সেটা বলা যায় না। তবে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা সমাধান হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হল। আমরা চিঠি দিয়েছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আলোচনার মাধ্যমে মধ্যস্থতায় আসা যায় তার জন্য। আমরা সহযোগিতা করতে রাজি। এ বার ফেডারেশন যদি আসে, তা হলে আমরাও মিটমাট করতে রাজি। এই ‘নিষিদ্ধ’ বিষয়টা কেন হয়েছে, সেই কারণই এখনও বুঝতে পারিনি।”
৭২ ঘণ্টার আগেই পরিচালকদের সংগঠনের প্রতিক্রিয়ায় কৃতজ্ঞ দেব। এ প্রসঙ্গে অভিনেতা বললেন, “আমরা কেউ আলাদা নই। ‘ব্যান’-এর জন্য যদি আবার কাউকে হারাতে হয়, তা হলে তো সেই আমাদেরই ক্ষতি। ইন্ডাস্ট্রিতে একটা সুস্থ পরিবেশ গড়তে চাই। পরিচালকদের সংগঠনকে ধন্যবাদ, আমার বক্তব্যকে মান্যতা দেওয়ার জন্য। টেকনিশিয়ানদেরও বলব, একত্রিত হয়ে কাজ করা উচিত। সবাই আমরা এক। স্বরূপ বিশ্বাসকে বলে আমার কোনও লাভ নেই, কারণ উনি সেই নিজের মতোই করবেন।”
ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ কী বললেন? তিনি আনন্দবাজার ডট কম-কে বললেন, “আমরা এখনও কোনও চিঠি পাইনি। আগে চিঠি পাই, তার পরে মন্তব্য করতে পারব। চিঠি পড়ে দেখে, তার পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে কি না, তা এখনই তো কিছু বলতে পারছি না।”
প্রসঙ্গত, এই ‘নিষিদ্ধ সংস্কৃতি’ নিয়ে অনেক দিন ধরেই সরব হয়েছেন দেব। তা নিয়ে তরজাও চলেছে বিস্তর। সম্প্রতি, এই বিষয়ে প্রসেনজিতের সঙ্গে আলোচনার কথাও জানিয়েছিলেন নায়ক। যদিও এখনও অবধি কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যায়নি।