Ashtami Puja At Koel Mallick's House

কুমারীপুজোর আয়োজন থেকে পুজোর টুকিটাকি, কোয়েলের কাঁধে সব দায়িত্ব, ব্যস্ততার মাঝে ছেলেকে শঙ্খ বাজানো শেখালেন নায়িকা

অতিমারির সময় অভ্যাগতদের আমন্ত্রণ জানাতে পারেনি মল্লিক পরিবার। তা ছাড়া, প্রতি পুজোয় সকলের জন্য রঞ্জিত মল্লিক, কোয়েল মল্লিকের বাড়ির দরজা খোলা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:২২
Share:

ঠাকুরদালানে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে কোয়েল মল্লিক। নিজস্ব চিত্র।

ভবানীপুরের মল্লিক বাড়ি। সাবেকি বাড়ি। বাড়ির প্রতিমাও সাবেকি। দেবী সোনার বরণ, একচালার। দেবী দুর্গার আবাহন শুরু ষষ্ঠী থেকে। এই ক’দিন রঞ্জিত মল্লিক, কোয়েল মল্লিকের বাড়ির দরজা সকলের জন্য খোলা।

Advertisement

সপ্তমীতে মেয়ে কাব্যকে প্রকাশ্যে এনেছেন নায়িকা। নিজের জন্য বেছে নিয়েছিলেন হাল্কা নীল সিক্যুইন-এর শাড়ি। মেয়ে সেজেছিল হলুদরঙা ঘাগরা-চোলিতে। অষ্টমীর সকালে সরু লাল পাড়ের তসর শাড়িতে বড়পর্দার নায়িকা তখন শুধুই মল্লিকবাড়ির মেয়ে। কখনও অতিথি আপ্যায়ন করছেন। কখনও আবার পুরোহিতমশাইয়ের হাতে হাতে সাহায্য করছেন। কুমারীপুজোর আয়োজন করছেন। আর সবকিছুর তত্ত্বাবধানে বাবা রঞ্জিত।

পুজোর তত্ত্বাবধানে ব্যস্ত দীপা মল্লিক এবং রঞ্জিত মল্লিক। নিজস্ব চিত্র।

এদিন প্রবীণ অভিনেতার পরনে ছিল সুতোর কাজ করা গরদ সিল্কের পাঞ্জাবি। সুতোর কাজ করা ধাক্কাপাড় ধুতি। মা দীপা মল্লিকও সেজেছিলেন ঘিয়ে রঙের জামদানি শাড়িতে। প্রতিবছরের মতো নায়িকার কাঁধে দায়িত্ব পড়েছে শঙ্খ বাজানোর। সেই ছবিই ধরা পড়ল আনন্দবাজার ডট কম-এর ক্যামেরায়। বছরের এই একটা সময়ে মল্লিকবাড়ির সব সদস্য জমায়েত হন নিজেদের পুরনো বাড়িতে।

Advertisement

পুজোর কাজে ব্যস্ত কোয়েল মল্লিক। নিজস্ব চিত্র।

অনেক সাক্ষাৎকারেই কোয়েল জানিয়েছেন, এই চারদিন ভাই-বোনেদের সঙ্গে হই-হুল্লোড়ের বাইরে আর কিছুই ভাবতে পারেন না তিনি। সময়ের সঙ্গে চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে গিয়েছেন সবাই। কিন্তু মায়ের টানে সবাই এক হন বছরের চারটে দিন। কুমারীপুজোর কাজ, শঙ্খ বাজানোর সঙ্গে ভাই-বোনেদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দেওয়ার মুহূর্তও মিস্‌ করলেন না নায়িকা।

দুই সন্তান, স্বামী আর ভাই-বোনেদের সঙ্গে বিশেষ মুহূর্তে নায়িকা। নিজস্ব চিত্র।

মামা-মাসিদের সঙ্গে সেই আড্ডায় যোগ দিল ছোট্ট কবীর এবং কাব্য। বাবা নিসপালের সঙ্গে মিলিয়ে কাব্যর পরনে ছিল লাল ফ্রক আর কবীর সেজেছিল লাল পাঞ্জাবিতে। মায়ের হাত থেকে আবার শাঁখে ফু দিতেও দেখা গেল তাকে। দুই ছেলে-মেয়ে স্বামী, পরিবার নিয়ে অষ্টমীর সকালে কোয়েল যেন পরিপূর্ণ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement