Bomb Threat

আবার বোমাতঙ্ক কলকাতায়! পর পর একই ঘটনা, জাল কত দূর বিস্তৃত? পুলিশের নজরে ভিন্ন মেল আইডি

সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বোমাতঙ্কের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। দিন কয়েক আগে কলকাতা-সহ জেলার বিভিন্ন আদালতে বোমা হামলার হুমকি মেল পাঠানো হয়। ছড়ায় আতঙ্ক।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ মার্চ ২০২৬ ২১:৪৯
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

দিন কয়েক ধরেই কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বোমাতঙ্ক ছড়াচ্ছে। কখনও আদালতে, কখনও পোস্ট অফিসে, আবার কখনও পাসপোর্ট অফিসে! সর্বশেষ ঘটনাটি নজরে এসেছে গল্‌ফ গ্রিন এলাকার রিজেন্ট পার্কে। সেখানকার পোস্ট অফিসে বোমাতঙ্ক ছড়ায় মঙ্গলবার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বোমা মেরে রিজেন্ট পার্ক পোস্ট অফিস উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রকাশ্যে আসার পরই শোরগোল পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াড। বেশ কিছু ক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে ওই পোস্ট অফিসে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, পোস্ট অফিস খালি করে অনুসন্ধান করা হয়। সন্দেহজনক কিছু পাওয়া না-গেলেও বিষয়টি উড়িয়ে দিতে নারাজ তদন্তকারীরা।

সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বোমাতঙ্কের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। দিন কয়েক আগে কলকাতা-সহ জেলার বিভিন্ন আদালতের বিচারকদের কাছে বোমা হামলার হুমকি মেল পাঠানো হয়। আতঙ্ক ছড়ায়। শুধু আদালত নয়, রাজ্যের বেশ কয়েকটি পোস্ট অফিসেও একই ভাবে হুমকি মেল পাঠায় আততায়ীরা। এই সব বোমাতঙ্কের তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-ও ঘটনার তদন্ত করছে।

Advertisement

কী কী উঠে এসেছে তদন্তে?

শুধু এ রাজ্যে নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন বোমাতঙ্কের ঘটনা প্রায়ই প্রকাশ্যে আসে। বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ তার তদন্ত করছে। সেই সূত্র ধরে দিন কয়েক আগে গুজরাত পুলিশ এ রাজ্যে এসে এক যুবককে গ্রেফতার করে। এ বিষয়ে পুলিশের সূত্রের খবর, ধৃত যুবক হুমকি মেল পাঠাননি। তবে তাঁর মেল আইডি ব্যবহার করা হয়েছিল। অনেক সময়েই সাইবার অপরাধে ব্যবহৃত ইমেল আইডি অনলাইনে কেনাবেচা চলে। অনেকে বুঝে বা না-বুঝে সেই জালে জড়িয়ে পড়েন। আপাতত জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকও এই ধরনের কাজে যুক্ত।

কলকাতা পুলিশ এবং অন্য রাজ্যের তদন্তকারীরা এই সব মামলায় একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় রাখছেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বোমাতঙ্ক ছড়ানো মেলগুলি ভিন্ন ভিন্ন আইডি ব্যবহার করে পাঠানো হয়। অনুমান, সাহায্য নেওয়া হয়েছিল ভিপিএন-এরও। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ভিপিএন ব্যবহার করে দেশের বাইরের সার্ভার ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এখনও মূলচক্রী অধরাই। তাঁর খোঁজ চলছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement