(বাঁ দিকে) ইমতিয়াজ় আলি, (ডান দিকে) অনুরাগ কাশ্যপ। ছবি: সংগৃহীত।
বলিউডের দুই খ্যাতনামী পরিচালক। এক সময় তাঁরা একই বহুতলে থাকতেন। তাঁরা একসঙ্গে সস্ত্রীক বেড়াতেও যেতেন। অনুরাগ কাশ্যপের-কন্যা আলিয়া এবং ইমতিয়াজ আলির-কন্যা ইদা তখন শিশু। বাবা-মা’রা বেড়াতে গেলে তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন অনুরাগের বাড়িতে, আলিয়ার দিদার তত্ত্বাবধানে। দুই পরিচালকের সিনেমার তৈরি ঘরানা সম্পূর্ণ আলাদা। তবে একে অপরের খুব ভাল বন্ধু তাঁরা। কর্মক্ষেত্রে যদিও প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রায় সপ্তাহখানেকের হেরফেরে দুই পরিচালকের ছবি মুক্তি পেয়েছে। অনুরাগের ছবি ‘বান্দর’ ও ইমতিয়াজ়ের ছবি ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’। এ বার বন্ধুর নামে মন্দির বানানোর ইচ্ছা প্রকাশ করলেন অনুরাগ।
২০০৫ সালে ‘সোচা না থা’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনায় আত্মপ্রকাশের পর ইমতিয়াজ একের পর এক সফল ছবি উপহার দেন। ‘জব উই মেট’, ‘লভ আজ কাল’, ‘রকস্টার’ এবং ‘হাইওয়ে’, ‘তামাশা’-র মতো ছবির মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ইমতিয়াজ়ের করা প্রায় প্রতিটি ছবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সমালোচকদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে তাঁর ছবি। যদিও অনুরাগ মনে করেন, ইমতিয়াজ়ের প্রথম ছবি ‘চমকিলা’। যেটি মুক্তি পায় ২০২৪ সালে অমর সিংহ চমকিলা নামক পঞ্জাবী লোকসঙ্গীত শিল্পীর উপর নির্মিত এই জীবনীচিত্র দেখে মুগ্ধ হয়ে যান অনুরাগ। এর দু’বছর পর মুক্তি পায় ‘ম্যায় ওয়াপস আউঙ্গা’ এই ছবিকে অনুরাগ ইমতিয়াজ়ের ‘দ্বিতীয় ছবি’র তকমা দিয়েছেন। অনুরাগ জানান, ইমতিয়াজ় যদি তাঁর পরের ছবিটা ঠিক এই দুটো ছবির সমপর্যায়ে বানাতে পারেন, তবে ইমতিয়াজ়ের নামে মন্দির বানাবেন। উল্টো দিকে ইমতিয়াজ়ের এই ছবি মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বক্স অফিসে দর্শক টানছে। প্রথম সপ্তাহে যেখানে হাতেগোনা লোক ছবিটি দেখেছেন, সেখানে দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বক্স অফিসে প্রায় একশো শতাংশের বেশি আয় বেড়েছে এই ছবির। ইমতিয়াজ় বলেন, ‘‘ অনুরাগ নিজের ‘বান্দর’ ছবিটির থেকে বেশি মাত্রায় আমার ছবির প্রচার করছে।’’ তবে শুধু অনুরাগ নন, একাধিক বলিউড তারকা ইমতিয়াজ়ের ছবির প্রশংসায় পঞ্চমুখ।