বিজয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ভাঙন তৃষার! ছবি: সংগৃহীত।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথম জন্মদিন তলপতি বিজয়ের। ৫২ পূর্ণ করলেন অভিনেতা। জন্মদিনে অসংখ্য শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন। কিন্তু জন্মদিনেই যেন ছন্দপতন বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবনে। মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী হিসাবে ভোটে লড়াই করার সময়ে, বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন অভিনেতার স্ত্রী সঙ্গীতা সোর্নালিঙ্গম। তার পরই অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণনের সঙ্গে বিজয়ের পরকীয়ার গুঞ্জন জোরদার হয়। এ বার সেই সম্পর্কেও নাকি ভাঙন ধরেছে।
দিনকয়েক আগেই বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর জানিয়েছিলেন, তাঁর ছেলেকে নিয়ে উদ্বেগ হয়। নির্বাচনে লড়ার সময়টা মানসিক ভাবে অস্থির থাকতেন, চিন্তায় থাকতেন তিনি। ভোটে জেতার পরে বিজয়ের বাড়িতে দেখা করতে যান তৃষা। শুধু তা-ই নয়, বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও একেবারে সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন দক্ষিণের একাধিক তারকা। কেউ কেউ তো বিজয়ের জীবনের ‘লক্ষ্মী’র তকমা দিয়ে ফেলেন তৃষাকে। অথচ অভিনেতার জন্মদিনে দেখা গেল না তৃষাকে। জন্মদিন উদ্যাপনের পার্টিতেও তিনি অনুপস্থিত থাকায় প্রশ্ন ওঠে। তৃষার তরফ থেকে নাকি বিজয়ের জন্য কোনও শুভেচ্ছাবার্তাও পাঠানো হয়নি।
এর পরেই দেখা যায়, নিজের সমাজমাধ্যম থেকে বিজয়কে সরিয়ে দিয়েছেন তৃষা। বিজয়ও আর অনুসরণ করছেন না অভিনেত্রীকে। এর পরেই ফিসফাস, তবে কি সম্পর্কে ভাঙন? না কি ইচ্ছাকৃতই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী!
ও দিকে শোনা যাচ্ছে, স্ত্রী সঙ্গীতার সঙ্গে নাকি মীমাংসার পথে হাঁটতে চলেছেন বিজয়। শোনা যাচ্ছে, দম্পতির মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চলছে এবং তাঁরা সব মিটমাট করে সম্পর্ক জোড়া লাগানোর পথে হাঁটতে পারেন। এ-ও শোনা যাচ্ছে যে, বিজয়ের মা-ই নাকি দু’পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন। তবে এই দাবিগুলির কোনও নিশ্চিত প্রমাণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
একটা সময়ে বিজয়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সঙ্গীতাকে দেখা যায়নি। বিজয় ও সঙ্গীতার দাম্পত্যজীবনের সমস্যা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয় তখনই। মতপার্থক্যের কারণেই নাকি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন তাঁরা, এমনটাই শোনা যায়। তবে বিজয় বা সঙ্গীতা কেউই প্রকাশ্যে এই মামলা নিয়ে কোনও কথা বলেননি।