Kanye West

এক ঘণ্টার মধ্যে কোন সঙ্গীতশিল্পীর টুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করলেন ইলন মাস্ক?

ইলন মাস্ক টুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হইহই রইরই কাণ্ড। সংস্থার কর্মী ছাঁটাই থেকে শুরু করে টুইটার ব্যবহারকারীদের উপর কড়া নজরদারি— সব মিলিয়ে জেরবার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ০৮:৫৬
Share:

নিজেকে এক জন মুক্তমনা বাক্‌স্বাধীন মানুষ বলে পরিচয় দেন ইলন। তাই দয়া করেই কানিয়েকে এর আগে দীর্ঘ ‘শাস্তি’ ভোগ করতে দেননি। ফাইল চিত্র।

গত অক্টোবরেই গায়ককে ফের স্বাগত জানিয়েছিলেন টুইটারে। কিন্তু কানিয়ে যে তাঁর মুখ রাখলেন না, এ ব্যাপারে কিঞ্চিৎ ক্ষুব্ধ ইলন। ফাইল চিত্র

দু’মাসও হয়নি টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেয়েছিলেন, শুক্রবার ফের তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে আমেরিকার র‍্যাপ তারকা কানিয়ে ওয়েস্টের। এমনিতেই প্রকাশ্যে ‘বিস্ফোরক’ কিংবা ‘অশালীন’ মন্তব্য করাতে কানিয়ের জুড়ি মেলা ভার, কখনও কখনও টুইটারকেও তার মাধ্যম করে সমস্যায় পড়েছেন তারকা। টুইটারের মালিক ইলন মাস্ক সতর্ক করেছিলেন, তবু গা করেননি কেনি। শুক্রবার টুইট করে মাস্ক নিজেই বললেন, “আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু আবার কানিয়ে শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করে টুইটারের নিয়ম ভেঙেছেন। তাই ওঁর অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হল।”

Advertisement

ইলন মাস্ক টুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হইহই রইরই কাণ্ড। সংস্থার কর্মী ছাঁটাই থেকে শুরু করে টুইটার ব্যবহারকারীদের উপর কড়া নজরদারি, সব মিলিয়ে জেরবার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও। যদিও নিজেকে এক জন মুক্তমনা বাক্‌স্বাধীন মানুষ বলেই পরিচয় দেন ইলন। তাই দয়া করেই কানিয়েকে এর আগে দীর্ঘ ‘শাস্তি’ ভোগ করতে দেননি।

গত অক্টোবরেই গায়ককে ফের স্বাগত জানিয়েছিলেন টুইটারে। কিন্তু কানিয়ে যে তাঁর মুখ রাখলেন না, এ ব্যাপারে কিঞ্চিৎ ক্ষুব্ধ ইলন। জানা যায়, শুক্রবার অভিযোগ পাওয়ার ঠিক এক ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তিনি। এক টুইটার ব্যবহারকারী ইলনকে ট্যাগ করে লিখেছিলেন, “ইলন ফিক্স কানিয়ে প্লিজ।” সঙ্গে সঙ্গে টুইটারের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো না হলেও এক ঘণ্টা পরেই কানিয়ের অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়।

Advertisement

সম্প্রতি ইলন অবশ্য জানান, কানিয়েকে টুইটারে ফিরিয়ে আনার পিছনে তাঁর কোনও হাত ছিল না। কারণ, তাঁর পুরোপুরি দায়িত্বে আসার আগেই সে বার স্থগিত করা হয়েছিল কানিয়ের অ্যাকাউন্ট।

কিছু দিন আগেই কর্মস্থলে ‘বিকৃত’ আচরণের অভিযোগ উঠেছিল কানিয়ের বিরুদ্ধে। নানা বিষয়ে বিতর্ক তুলে শিরোনামে প্রায়ই থাকেন মডেল-তারকা কিম কার্দাশিয়ানের প্রাক্তন। তবে এ বার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও ভয়াবহ। দাবি করা হয়েছে, দুই বিখ্যাত ফ্যাশন সংস্থার প্রাক্তন কর্মীদের পর্ন ভিডিয়ো এবং অশালীন ছবি দেখিয়ে বেড়াতেন কানিয়ে, যা ‘যৌন হেনস্থা’ বলেই গণ্য হয়েছে। সব মিলিয়ে আইনি সমস্যায় পড়তে চলেছেন সঙ্গীতশিল্পী।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement