(বাঁ দিকে) ধনুষ, (ডান দিকে) মৃণাল ঠাকুর। ছবি: সংগৃহীত।
শোনা যায়, চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ প্রেম দিবসে নাকি বিয়ের আসর বসবে ধনুষ ও মৃণাল ঠাকুরের। সেই গুঞ্জনে অবশ্য সায় দেননি অভিনেত্রী। আগেও এক সাক্ষাৎকারে নিজেকে ধনুষের অনুরাগী ও ভাল বন্ধু বলেই দাবি করেছেন তিনি। প্রেমে সিলমোহর দেননি তিনি। তবে তিনি প্রেমে পড়লে যে আবেগপ্রবণ হয়ে যান সে কথা স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী! ধনুষের সঙ্গে প্রেমের আলোচনা যখন সর্বত্র, তখন প্রথম প্রেমিকের প্রসঙ্গ টেনে এনে মৃণাল জানালেন, সেই প্রেমিক নাকি তাঁকে ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।
ছোটপর্দার ‘ইয়ে হ্যায় মহব্বতে’, ‘কসৌটি জ়িন্দেগি কে ২’-এর মতো একাধিক ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শরদ কুমার ত্রিপাঠী। শোনা যায়, তাঁর সঙ্গে তিন থেকে চার বছরের সম্পর্ক ছিল মৃণালের। টেলিভিশনের পর্দায় এক রিয়্যালিটি শোয়ে তাঁদের সম্পর্কের কথা জানাজানি হয়। কানাঘুষো শোনা যায়, মৃণাল অভিনেত্রী হতে চান জেনে আপত্তি জানিয়েছিল শরদের পরিবার। ২০১৭ সালে শরদের সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন নায়িকা। তবে এ বার জানান, একটা সময় প্রেমজীবনে খুব ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তাঁকে। যদিও শরদের সম্পর্ক ভাঙার বিষয়টি নিয়ে কোনও কথা বলেননি। তবে প্রথম প্রেমিক যে তাঁকে মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছেন সে কথা জানিয়ে বলেন, ‘‘আমার প্রেমিক ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। খুবই গোঁড়া ছিল ও। আমার অভিনেত্রী জীবনের সঙ্গে তাল মেলানো কঠিন হয়ে গিয়েছিল ওর পক্ষে। আমাকে বলেছিল, ‘তোমার এই জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তোমার হঠকারিতার সঙ্গে আমি তাল দিতে পারব না।’ আমার মনে হয়, এখন শাপে বরই হয়েছে।”