মুখ খুললেন পলাশ। ছবি: সংগৃহীত।
ফের প্রতারণার অভিযোগ পলাশ মুচ্ছলের বিরুদ্ধে। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন স্মৃতি মন্ধানারই এক বন্ধু। তিনি পেশায় মরাঠী ছবির প্রযোজক। তাঁর নাম বৈভব মানে। পলাশ নাকি তাঁর থেকে ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছেন। এ বার মুখ খুললেন সঙ্গীতশিল্পী নিজেই।
পলাশের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরিতে লেখেন, “সাংলির বৈভব মানে আমার বিরুদ্ধে সমাজমাধ্যমে যে অভিযোগগুলি তুলে ধরেছেন, সেগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তথ্যগত দিক থেকেও ত্রুটিপূর্ণ। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এবং খারাপ উদ্দেশ্য নিয়েই এই অভিযোগগুলি আনা হয়েছে।”
এখানেই শেষ নয়। এই অভিযোগের জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পলাশ। তিনি লেখেন, “আমার আইনজীবী শ্রেয়াংশ মিঠারে আইন সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছেন। আইন মেনেই এই ঘটনাটির সঙ্গে কড়া ভাবে বোঝাপড়া করা হবে।”
অভিযোগটি ঠিক কী? বৈভবের কাছ থেকে নাকি ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে ফেরত দেননি পলাশ। এই প্রযোজকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘নজ়ারিয়া’ নামে একটি ছবি করেন পলাশ। ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল পলাশের কাঁধে। প্রযোজককে পলাশ নাকি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সিনেমার কাজ শেষ হতেই সেটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এই ছবির মুক্তির ব্যাপারে উদ্যোগী হননি পলাশ, এমনটাই অভিযোগ প্রযোজকের। তিনি নাকি পলাশকে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে কিছুটা কিছুটা কিস্তিতে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, কাজ হয়ে যাওয়ার পরে টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে কোনও কথাই নাকি বলেননি পলাশ।