Parineeti Chopra Raghav Chadha

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় একটি বিশেষ কাজ করেছিলেন পরিণীতি! মহাকাল মন্দিরে রাঘবের সঙ্গে কবে পুজো দেন তিনি?

কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে পরিণীতি চোপড়ার গান ‘নমামী শামীশান’। গানটি ভাল সাড়া ফেলেছে বলে নিজেই জানিয়েছেন পরিণীতি। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নাকি তিনি এই গান গেয়েছিলেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ১৭:০৪
Share:

মহাকাল মন্দিরে পরিণীতি ও রাঘব। ছবি: সংগৃহীত।

অভিনয় থেকে বেশ কিছু দিন দূরে তিনি। শেষ তাঁকে দেখা গিয়েছিল ‘অমর সিংহ চমকীলা’ ছবিতে। বর্তমানে আধ্যাত্মিকতায় মন দিয়েছেন পরিণীতি চোপড়া। গেয়েছেন একটি ভক্তিমন্ত্রও। সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া সেই ভক্তিগীতির নেপথ্যের কাহিনি তুলে ধরলেন পরিণীতি।

Advertisement

কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে পরিণীতি চোপড়ার গাওয়া ‘নমামী শামীশান’। গানটি ভাল সাড়া ফেলেছে বলে নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় নাকি তিনি এই গান গেয়েছিলেন। সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। স্বামী বিজেপি নেতা রাঘব চড্‌ঢার সঙ্গে উজ্জৈনের মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দিরে গিয়েছিলেন পরিণীতি। মন্দিরের পুজোর কিছু মুহূর্তই সেই ভিডিয়োয় তুলে ধরেন পরিণীতি।

হালকা গোলাপি রঙের শাড়িতে দেখা গিয়েছে পরিণীতিকে। আর রাঘবের পরনে লাল-হলুদ রঙের আধ্যাত্মিক বস্ত্র। মন্দিরের পুরোহিতেরা দম্পতির কপালে হলুদ রঙের চন্দন লেপে দেন। গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন। ভক্তিভরে তাঁদের পুজো করতে দেখা যায়। এই ভিডিয়োর সঙ্গেই নিজের গাওয়া ‘নমামী শামীশান’ জুড়ে দিয়েছেন পরিণীতি। সেই সঙ্গে ক্যাপশনে পরিণীতি লিখেছেন, “আমি তখন অন্তঃসত্ত্বা। এক শান্ত নির্মল সকালে এই গানটি রেকর্ড করেছিলাম। কখনও ভাবিনি, এত ভালবাসা পাব। খুব ভাল লাগছে, মানুষ ভোরবেলা এই গান শুনছেন। আমাদের পরিবারেও এমন গান সকাল হলেই চলত।”

Advertisement

পরিণীতিকে এই ভিডিয়োর মন্তব্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকেই। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই এই মন্দিরে গিয়েছিলেন পরিণীতি ও রাঘব। মা হওয়ার পরে জীবনে আসা পরিবর্তন নিয়েও কথা বলেছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে মা হওয়ার পরে শারীরিক বদলের কথাও বলেন তিনি। মা হওয়ার পরে শরীরে যে দাগ থেকে যায়, তা নেতিবাচক ভাবে দেখা উচিত নয় বলে মনে করেন অভিনেত্রী। শরীরের দাগ মনে করিয়ে দেয়, জীবনের এই সুন্দর অধ্যায়ের কথা। অভিনেত্রীর কথায়, “শরীরের দাগ বরং মনে করিয়ে দেয়, আপনি এমন একটা কাজ করেছেন, যা আপনার স্বামী করতে পারেননি। আপনি এই অসাধারণ কাজটি করেছেন এবং যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন আপনার শরীরে রয়েছে। এর জন্য তো খুশি হওয়া উচিত।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement