বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না রাজপালের। ছবি: সংগৃহীত।
এখনই নিস্তার নেই রাজপাল যাদবের। ৯ কোটি টাকার দেনায় জেরবার হয়েছিলেন অভিনেতা। চেক বাউন্স করায় নিজেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন তিহাড় জেলে। তার কিছু দিন পরে জামিন পেয়ে জেল থেকে বেরোন। তার পরে স্থির করেন, আইনি প্রক্রিয়ায় বিষয়টির নিষ্পত্তি করবেন। কিন্তু সেই আশা ভঙ্গ হয়েছে রাজপালের। দিল্লি হাই কোর্ট এই মামলায় রায় স্থগিত রেখেছে বলে জানা যাচ্ছে। ২ এপ্রিল শুনানির সময়ে রাজপাল নাকি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
এই দিন মামলার শুনানি হয় বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মার বেঞ্চে। রাজপালের বারবার অবস্থান পরিবর্তনের জন্য তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আদালতের তরফে তাঁর মন্তব্য, “আমি আমার প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছি না। আগে যা বলা হয়েছিল, এখন তার থেকে আলাদা কথা বলা হচ্ছে।”
অভিযোগকারী সংস্থার পক্ষে আইনজীবী অবনীত সিংহ সিক্কা জানান, অভিনেতা ইতিমধ্যেই নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। তাই তিনি এখন দায় এড়াতে পারেন না। তিনি আরও জানান, সাজা ভোগ করলেও আর্থিক দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। বহু বার আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও টাকা পরিশোধ করেননি রাজপাল।
শুনানির সময় আদালত বারবার দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করানোর চেষ্টা করে। অভিযোগকারী পক্ষ ৬ কোটি টাকায় মিটমাট করে নিতে রাজি হয়। কিন্তু রাজপাল তাঁর আবেগঘন বক্তব্যে এই প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
রাজপালের বক্তব্য, তিনি ইতিমধ্যেই বড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তাঁকে পাঁচটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিতে হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই অনেক টাকা পরিশোধ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি আবেগপ্রবণ নই। আমাকে আরও পাঁচ বার জেলে পাঠান।”
আদালত চেষ্টা করা সত্ত্বেও কোনও সমাধান হয়নি। আদালত তখন আরও কড়া ভাষায় সতর্ক করে বলে, “বিচারক যদি নম্র হন, তাকে দুর্বল ভাববেন না।” আদালতের মূল্যবান সময় নষ্ট করা হচ্ছে বলে বিচারপতি মন্তব্য করেন।