কান্নায় চোখ ভিজল রানির। ছবি: সংগৃহীত।
প্রকাশ্যে কথা বলতে বলতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন রানি মুখোপাধ্যায়। বলিউডে ইতিমধ্যেই তিনি ৩০ বছর পার করে ফেলেছেন। তাঁর তালিকায় রয়েছে একাধিক সফল ছবি। সম্প্রতি তাঁর ছবি ‘মর্দানি ৩’-এর ঝলকও অনুরাগীদের মুগ্ধ করেছে। কিন্তু কর্মজীবনের শুরুর দিকে কয়েকটি প্রতিকূলতার মুখে পড়েছিলেন রানি। বিশেষ করে কণ্ঠস্বরের জন্য তির্যক মন্তব্য শুনতে হয়েছিল তাঁকে। কর্ণ জোহরের সঙ্গে কথোপকথনে সে সব মনে করেই চোখ ভিজে এল অভিনেত্রীর।
অভিনয়ে বার বার প্রশংসা পেয়েছেন রানি। তাঁর কণ্ঠস্বর ও কথা বলার ধরনও আলোচনায় উঠে এসেছে বার বার। বর্তমানে তাঁর কণ্ঠস্বরের অনুরাগী অনেকেই। কিন্তু গোড়ার দিকে এমনটা ছিল না। যার ফলে ছবিতে ডাবিং তাঁর কণ্ঠেই হবে কি না সেই প্রশ্ন উঠত। কর্ণ জোহরের প্রথম পরিচালিত ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর সময়েও তাঁর উপরে চাপ ছিল, রানির কণ্ঠের নেপথ্যে যেন অন্য কেউ থাকেন। কিন্তু তা শোনেননি কর্ণ। ডাবিং করান রানিকে দিয়েই। তা মনে করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। তখন রানির কপালে স্নেহচুম্বন করেন কর্ণ।
আলোচনা করতে করতেই অভিনেত্রী জানান, তাঁর স্বামী অর্থাৎ আদিত্য চোপড়া জানিয়েছিলেন, রানির কণ্ঠ তাঁর পছন্দ। চোখের জল মুছতে মুছতেই রানি জানান, তাঁর জন্যই নিজের কণ্ঠস্বরকে টিকিয়ে রাখতে পেরেছিলেন। কর্ণ ফের বলেন, তিনি রানির কণ্ঠস্বর পছন্দ করেন।
কর্ণ স্মৃতি হাতড়ে জানান, এক প্রযোজক বলে দিয়েছিলেন, ছবিতে রানির কণ্ঠ বদলে ফেলতে হবে। কিন্তু কর্ণ তা মানেননি। তাই কর্ণকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মনে করেন রানি। আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়ে তিনি বলেন, “আজ আমরা এটা নিয়ে মজা বা রসিকতা করি ঠিকই। কিন্তু সেই দিন তরুণ পরিচালক হিসাবে তুমি চাপে পড়ে অন্য সিদ্ধান্ত নিতেই পারতে। তোমার প্রথম ছবি ছিল ওটা। কিন্তু তুমি নিজের মতামতে অনড় ছিলে। এই জন্যই তুমি কর্ণ জোহর।”