(বাঁ দিকে) সাহেব ভট্টাচার্য এবং সুস্মিতা দে, সোনামণি সাহা এবং প্রতীক সেন (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।
পুরনো সব কিছুকে পিছনে ফেলে নতুন বছরে প্রবেশ। উৎসবের আমেজে প্রেম যেন সঙ্গী হয়ে আসে। টলিপাড়ার কিছু জুটির রসায়ন সারা বছরই থাকে আলোচনায়। যেমন সকলের সামনে ‘‘আমরা শুধুই ভাল বন্ধু’’ বললেও, নতুন বছরে যেন ভালবাসার উদ্যাপনই করলেই সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে। সাহেবের পরিবারের সঙ্গে নতুন বছরটা উদ্যাপন করলেন অভিনেত্রী। তবে কি সম্পর্কে সিলমোহর দিলেন সাহেব-সুস্মিতা? অন্য দিকে জুটিতে ছবি দিলেন সোনামণি সাহা ও প্রতীক সেনও।
বর্ষবরণের রাত থেকে আনন্দ, উৎসব চলছে। সাহেবের পরিবারের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেই রয়েছেন সুস্মিতা। পার্টির যে ছবি সুস্মিতা সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন, সেখানে সাহেবের দিদি সোনম ও জামাইবাবু, তারকা ফুটবলার সুনীল ছেত্রীকেও দেখা গিয়েছে। পার্টিতে রাতের মেনুতে ছিল হরেক রকমের কাবাব, চিংড়ি মাছের বিভিন্ন আইটেমের আয়োজন। নতুন বছরের দুপুরেও থামেনি পার্টি। ফোন ধরেই মৃদু হেসে সুস্মিতা বলেন, ‘‘দুপুরে বিরিয়ানি খাওয়া হবে।’’ নেপথ্যে অবশ্য শোনা যাচ্ছে সাহেবের কণ্ঠ। তবে কি এ বার প্রেমের জল্পনায় সিলমোহর দিচ্ছেন তারকাযুগল? প্রশ্ন করতেই হাসতে হাসতে সুস্মিতা বলেন, ‘‘সঠিক সময়ে সবটা সামনে আসবে।’’ কিছু দিন আগে তাঁদের বিয়ের জল্পনাও শোনা যায়। সে বিষয় হেসে উড়িয়ে দিয়ে সুস্মিতা বলেন, ‘‘আমি নতুন বছরে প্রচুর কাজ করতে চাই আর আমার শরীরের যত্ন নিতে চাই।’’
সাহেব-সুস্মিতার মতো টেলিপাড়ার আরও এক আলোচিত জুটি হলেন সোনামণি ও প্রতীক। দীর্ঘ দিন ধরেই তাঁদের সম্পর্কের খবর শোনা যায়। ‘মোহর’ ধারাবাহিক করার সময় নাকি আরও বেশি কাছাকাছি আসেন তাঁরা। তবে মাঝে তাঁদের প্রেম ভাঙার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে নিজেদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে বরাবরই মুখ কুলুপ ছিল সোনামণি ও প্রতীকের। সম্প্রতি টেলি আকাদেমি পুরস্কারের অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে দেখা যায় প্রতীকের মায়ের সঙ্গে। সেই সময় থেকে তাঁদের বিয়ের জল্পনা জোরালো হয়। যদিও সেই জল্পনা হেসে উড়িয়ে দেন অভিনেত্রী। তবে নতুন বছরে প্রথমবার জুটিতে ছবি ভাগ করে নিলেন তাঁরা। তবে কি সম্পর্কের গুঞ্জনে তাঁরাও সিলমোহর দিলেন?