বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর তিনি। তাঁর সঙ্গে ডেটে যেতে চান না এমন কেউ ভূভারতে প্রায় নেই বললেই চলে। তিনি সলমন খান। এ বার যদি আপনাকে বলি যে সলমন খান ‘বোরিং’! চমকে উঠলেন! আমি বলছি না, বলছেন অনুরাগ বসু। আর যেহেতু তিনি অনুরাগ বসু, তাই বলিউড তোলপাড় তাঁর এই মন্তব্যে। ব্যপারটা একটু বুঝিয়ে বলি। সম্প্রতি একটি প্রেস মিটে অনুরাগ বলেন, সলমনের সঙ্গে কাজ করার থেকে রণবীর কপূরের সঙ্গে কাজ করার ‘ঝুঁকি’ নিতে তিনি রাজি। কারণ, সলমন ‘বোরিং’।
অনুরাগ বসুর এহেন মন্তব্যে সলমনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও সলমন-ঘনিষ্ঠ এক পরিচালক জানিয়েছেন, সলমনের সাম্প্রতিক ছবিগুলি, যেমন বজরঙ্গী ভাইজান, প্রেম রতন ধন পায়ো-র সাফল্য এবং ছবিগুলিতে ওঁর উপস্থিতিই প্রমাণ করে অন স্ক্রিন ও বোরিং কিনা! বরং ইদানিং কালে রণবীরের ছবিগুলি দেখলে সেগুলোর ক্ষেত্রে ‘বোরিং’ কথাটা বলা যেতে পারে। অনুরাগের এই মন্তব্য দু’টো কারণে অস্বস্তিতে ফেলেছে রণবীর কপূরকেও। এক, রণবীরের সাম্প্রতিক ছবিগুলির বক্স অফিস রিপোর্ট মোটেই ভাল নয়। তাই সত্যি হলেও তাঁর সঙ্গে কাজ করাটা এখন ‘ঝুঁকি’র, এই কথাটা হজম করতে হয়ত কষ্টই হচ্ছে রণবীরের। দুই, ক্যাটরিনাকে নিয়ে সল্লুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কটা ইদানিং খুব একটা যে মধুর তা নয়। যদিও প্রকাশ্যে এই নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়াননি কেউই। তবু এ বিষয়ে একটা চাপা গুঞ্জন তো চলছেই বলিউডে। তাই সলমনের সঙ্গে তাঁর ‘তুলনা’ ওঠায় স্বাভাবিক ভাবেই বেশ চাপে রণবীর। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও ‘অ্যাকশন’ বা ‘রিঅ্যাকশন’ কিছুই মেলেনি তাঁর তরফ থেকে। আর সলমন! ২০১৫-এ আয় এবং পারিশ্রমিকের নিরিখে যিনি বলিউড শীর্ষে, তাঁর এই সব মন্তব্যে কী কিছু যায় আসে! উনি তো এখন বলিউডের ‘বিন্দাস ভাইজান’।