Sara ali khan

টাকাপয়সার চিন্তায় থাকতেন সারা, নিউ ইয়র্কে পড়াকালীন কী খেয়ে নিজের ক্ষতি করেন অভিনেত্রী?

নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেন সারা। সেই সময়ে মাত্রাতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায় তাঁর। এর নেপথ্যেও নাকি ছিল সেই টাকাপয়সা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৫:৪৭
Share:

সারা আলি খান। ছবি: সংগৃহীত।

খুব অল্প বয়সেই বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ দেখেছেন সারা আলি খান। সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহের বিচ্ছেদের সময় খোরপোশ নেওয়া থেকে সন্তানের দায়দায়িত্ব নেওয়া— সব কিছু নিয়েই বিস্তর ঝামেলা হয় দু’জনের মধ্যে। শুধু তা-ই নয়, একসময় অমৃতার উপর টাকাপয়সা নিয়ে চাপ দেওয়া হয় বলেও শোনা যায়। যদিও দুই সন্তান সারা ও ইব্রাহিমের পড়াশোনার দায়িত্ব নেন সইফ। নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করেন সারা। সেই সময়ে মাত্রাতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায় তাঁর। এর নেপথ্যেও নাকি ছিল সেই টাকাপয়সা।

Advertisement

একটা সময়ে প্রায় ৮৫ কেজি ওজন হয়ে যায় সারার। যদিও সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করার সময়ে ওজন কমিয়ে ৫২ কেজি করেছিলেন। এখন নিয়মিত শারীরচর্চা করে সেই ওজন নামিয়েছেন ৪৫ কেজিতে। তবে এমন ওজনবৃদ্ধির পিছনে ছিল সারার খাদ্যাভ্যাস। অভিনেত্রী নিজে জানান, জলখাবারে চকো-চিপ্‌স ব্রাউনি খেতেন, তা-ও আবার তিনটে করে। শুধু তা-ই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে প্রতিদিন নাকি দুটো করে মাঝারি আকারের পিৎজ়া খেতেন। কিন্তু, কেন এত অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝোঁক ছিল তাঁর? অভিনেত্রী জানান, পড়াশোনার বিপুল খরচ ছিল তাঁর। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার না খেয়ে, টাকা সাশ্রয়ের জন্য ‘ফাস্ট ফুড’-এই ভরসা করতেন সারা।

(বাঁ দিকে) সারা বর্তমানে যেমন, (ডান দিকে) বিশ্ববিদ্য়ালয়ে পড়ার সময় যেমন ছিলেন।

অভিনেত্রী বলেন, ‘‘আমি রোজ দুটো করে পিৎজ়া খেতাম। কারণ, একটা মাঝারি পিৎজ়া কিনলে, আর একটা পিৎজ়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যেত। আসলে তখন স্বাস্থ্যের কথা অতটা ভাবতাম না।’’ তবে এখন নিজের খাদ্যাভ্যাসে আমূল পরিবর্তন এনেছেন নায়িকা। মিষ্টি হোক কিংবা পিৎজ়া— ছুঁয়েই দেখেন না তিনি। বরং মুখরোচক কিছু খেতে ইচ্ছে হলে, বাড়িতে বানানো মাশরুম খান তিনি। এ ছাড়া বারোমাস কড়া ডায়েটেই থাকেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement