(বাঁ দিকে) কার্তিক আরিয়ান, (ডান ডিকে) সারা আলি খান। ছবি: সংগৃহীত।
খুব অল্প বয়সে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ দেখেছেন সারা আলি খান। নিজের জীবনেও একাধিক বিচ্ছেদের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। কর্মজীবনে সাফল্য পেয়েছেন যেমন, ব্যর্থতাও দেখেছেন তেমনই। তাই বিয়ে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো করতে চান না তিনি। জীবনের জরুরি অধ্যায়ের বিষয়ে তাঁর মত, ‘‘চটজলদি নেওয়া সিদ্ধান্ত অনেক সময়েই ভুল হয়।’’
সারার জনপ্রিয়তা যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা। নিজের প্রথম ছবির মুক্তির আগেই সারা জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, কার্তিক আরিয়ানকে তাঁর পছন্দ। তার পর কার্তিকের সঙ্গে ছবিতে অভিনয় থেকে প্রেম— সবই হয়েছে। তবে শেষপর্যন্ত সম্পর্কটা টেকেনি। এর পর শোনা যায়, প্রাক্তন প্রেমিক বীর পাহাড়িয়ার কাছেই নাকি ফিরে যান তিনি। যদিও সেটাও খুব বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। তার পর পঞ্জাবের বর্ষীয়ান রাজনীতিক ফতেহ জং সিংহ বাজওয়ার পুত্র অর্জুনের সঙ্গে বারকয়েক কেদারনাথে একান্তে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সমস্ত জল্পনা সত্ত্বেও এখনই বিয়ে বা প্রেম নিয়ে নাকি ভাবনাচিন্তা করতে নারাজ তিনি।
তাঁর কথায়, ‘‘আমি অনেক সুখী দাম্পত্য ভাঙতে দেখেছি। তাই তাড়াহুড়ো করার চেয়ে, অপেক্ষা করে সঠিক মানুষকে বিয়ে করাই শ্রেয়। আমি নিজেকে নিয়ে জীবনে খুশি, পরিপূর্ণ হতে চাই। তাই চটজলদি জীবনের বৃত্ত সম্পন্ন করতে বা ফাঁকা স্থান পূরণের জন্য জীবনসঙ্গী চাই না। নিজেকে সম্পূর্ণ করার জন্য আপাতত কাউকে খুঁজছি না। আমি মনে করি, চটজলদি নেওয়া সিদ্ধান্ত আদতে ভুলই হয়। তাই এ সব বিষয়ে তাড়াহুড়ো করতে চাই না।’’
সারা মনে করেন, নিজের জীবনের একাকিত্ব মেটানোর জন্য বিয়ে করার মানেই হয় না। বরং নিজে আনন্দে থাকলে, তখনই অন্য মানুষকে ভালবাসা যায়।