Tollywood News

সমাজমাধ্যমে ক্রমাগত হেনস্থার বিরুদ্ধে সরব পিয়া-স্বরূপেরা, কড়া পদক্ষেপ কতটা জরুরি মনে করছেন শ্রীময়ী, বনিরা?

স্ক্রিনিং কমিটির গত বছরের শেষ মিটিংয়ে জানানো হয়েছিল, সমাজমাধ্যমে লাগাতার হেনস্থার প্রতিবাদ জানাবেন তারকারা। কড়া পদক্ষেপ কতটা জরুরি?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৩০
Share:

টলিপাড়ার পদক্ষেপে কী মত শ্রীময়ী, বনিদের? ছবি: সংগৃহীত।

সমাজমাধ্যমে লাগাতার হেনস্থা নিয়ে অভিযোগ জানাতে লালবাজার সাইবার অপরাধদমন শাখায় গিয়েছিলেন স্ক্রিনিং কমিটির সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত, ফেডারেশন সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস। সঙ্গে ছিলেন শ্রীকান্ত মোহতা, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত, আবীর চট্টোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, নিসপাল সিংহ রানে, নীলরতন দত্ত, রানা সরকার-সহ টলিউডের বিশিষ্টেরা। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এই পদক্ষেপ কতটা জরুরি? কী বললেন টলিপাড়ার শিল্পীরা?

Advertisement

প্রতি মুহূর্তে একটু এ দিক ও দিক হলেই সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় টলিপাড়ার শিল্পীদের। অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে পরিচালক— কেউই বাদ নেই সেই তালিকায়। কিছু দিন আগে এমনই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল অভিনেতা বনি সেনগুপ্তকে। অন্য দিকে, অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজকেও প্রতি দিন সমালোচিত হতে হয় নানা কারণে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, টলিপাড়ার এই পদক্ষেপ কতটা জরুরি?

শ্রীময়ী বললেন, “এই পদক্ষেপ আরও আগে নিলে এতটা বাড়বাড়ন্ত হত না। মানুষ ইদানীং খুব বেপরোয়া হয়ে গিয়েছে। আমার বাচ্চাকেও তো ছাড়ে না। আসলে যাঁরা এই ধরনের কাজ করেন তাঁরা মানসিক ভাবে অসুস্থ। এই পদক্ষেপে কতটা মান আর হুঁশ বাড়বে জানি না। আমার মনে হয়, সঙ্গে সঙ্গে কঠোর পদক্ষেপ করলে কাজ হবে। তবে মানুষ নিজে থেকে সচেতন না হলে মুশকিল।” একই মত পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়েরও। তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসন বরাবরই এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু মানুষ নিজে থেকে সচেতন না হলে পরিবর্তন আসা খুব কঠিন। সেই দিকেই বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

Advertisement

সম্প্রতি একটি ঘটনার কথা শোনালেন বনি। তিনি বললেন, “আচমকাই একটি ছেলে ফোন করে আমাকে গালিগালাজ করছিল। থানায় অভিযোগ জানাতে, পুলিশ ছেলেটিকে ধরে নিয়ে আসে। তখন আমাকে দেখে বলছে, ও নাকি আমার ভক্ত। আসলে আমি বুঝেছি এরা বাস্তবে এক রকম হয় আর সমাজমাধ্যমে আর এক রকম। ছেলেদের থেকেও বেশি মেয়েদের বেশি নোংরা মন্তব্য শুনতে হয়। তাই আমার মনে হয়, কড়া পদক্ষেপ করলে কিছুটা সমাধান হতে পারে। তবে মানুষকে ভিতর থেকে পরিবর্তন আনতে হবে।” ইমপা-র সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement