Election Result 2026

ইমপা-র অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনী! জারি হচ্ছে ১৪৪ ধারা? গ্রেফতার হতে পারেন কয়েক জন প্রযোজক?

মঙ্গলবার ‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সংগঠনের কয়েক জন প্রযোজক। বুধবার সেই ইমপা-র অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনারা জড়ো হন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০২৬ ২০:০৫
Share:

ইমপা অফিসে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছিলেন পিয়া সেনগুপ্ত। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

হুলস্থুল ইমপা-র অফিস। জারি ১৪৪ ধারা? মঙ্গলবার ‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সংগঠনের কয়েক জন প্রযোজক। সেই অভিযোগে অফিস সিল করার আবেদনও করা হয়েছিল। বুধবার সেই ইমপা-র অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনারা জড়ো হন। শোনা যাচ্ছে, ১৬৩ ধারা (সাবেক ১৪৪ ধারা) জারি হতে পারে এবং গ্রেফতার হতে পারেন বিরোধীপক্ষের একাধিক প্রযোজক।

Advertisement

সোমবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরেই ইমপা অফিসের দখল নেন একদল প্রযোজক। তাঁরা নাকি গঙ্গাজল ছিটিয়ে অফিসের ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন। পাশাপাশি তাঁরা পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগ দাবি করেছেন। সোমবার থেকে তাঁরা প্রতিদিন ইমপা অফিসে এসে ধর্না দিচ্ছেন।

মঙ্গলবার প্রযোজকেরা বৌবাজার থানায় পিয়ার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। তেমনই পিয়াও ইমপা-র তরফ থেকে বৌবাজার থানায় একটি জেনারেল ডায়েরি করেন। পিয়া জানান, অফিসে শান্তি বজায় রাখতে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই সঙ্গে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পিয়া আবেদন করেন, যাতে অবিলম্বে ইমপা অফিসে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা (সাবেক ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা) জারি হয়। এর পরেই অর্থাৎ বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সেনা এসে জড়ো হন ইমপা অফিসে। কয়েক জন প্রতিবাদী প্রযোজককেও গ্রেফতার করা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

Advertisement

তবে, বিরোধীপক্ষের প্রযোজকদের পক্ষ থেকে পরিবেশক, সিনেমাহল মালিক শতদীপ সাহা আশ্বাস দেন, গ্রেফতার করার কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কেউ গ্রেফতার হচ্ছেন না।

উল্লেখ্য, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে পালাবদল ঘটতেই বদলে যায় ইমপা অফিসের ছবি। সোমবার ফল বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনের অফিসে উপস্থিত হন এবং গেরুয়া আবির খেলেন একদল প্রযোজক। অফিসে পা রাখার আগে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিও দেন তাঁরা। তাঁরা দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায় নিয়েছেন। এ বার সংগঠনের সভাপতিপদ ছেড়ে দিতে হবে পিয়া সেনগুপ্তকেও। সেখান থেকেই পরিস্থিতি অশান্ত হতে শুরু করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement