sharmila tagore

‘বুলেট কথা বলে’! বাঙালি বাড়ির শর্মিলার সঙ্গে নবাব পরিবারের মনসূরের বিয়েতে ভয়ে ছিল পরিবার!

ধর্ম আলাদা। এমনকি আলাদা দু’জনের পেশা। প্যারিসে গিয়ে শর্মিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন পটৌদী। কেন বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে বদলাতে হয় অনুষ্ঠানকক্ষ?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১৭:২১
Share:

(বাঁ দিকে) মনসূর আলি খান পটৌদী, (ডান দিকে) শর্মিলা ঠাকুর। ছবি: সংগৃহীত।

টাইগার পটৌদীর সঙ্গে শর্মিলা ঠাকুরের আলাপ হয় একটি ক্রিকেট ম্যাচে, ১৯৬৫ সালে। তখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন নবাব পটৌদী। আর শর্মিলা বলিউডের গ্ল্যামার কুইন। মনসূর আলি খান ছিলেন নবাব বংশের উত্তরাধিকারী, আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সুন্দরী, বুদ্ধিমতী শর্মিলা ছিলেন ঠাকুর পরিবারের সন্তান। ধর্ম আলাদা। এমনকি আলাদা দু’জনের পেশা। তবুও প্রেমে পড়লেন তাঁরা। যদিও তাঁদের বিয়ে নিয়ে বেশ ভয়ে ছিল দুই পরিবার। প্যারিসে গিয়ে শর্মিলাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন পটৌদী। যদিও বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে নাকি বদলাতে হয় অনুষ্ঠানকক্ষ।

Advertisement

১৯৬৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। দুই ধর্ম মেনেই গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তাঁরা। যদিও শোনা যায়, শর্মিলাকে নাকি নাম পরিবর্তন করতে হয়েছিল বিয়ের সময়ে। এই নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। শর্মিলা নিজেই সম্প্রতি জানান, বিয়ের আগে তাঁরা একত্রবাস করেছেন। সেই সময়ে যদিও ঘরকন্নার বিষয়ে ততটা পটু ছিলেন না তিনি। এখন অবশ্য গর্ব করেই বলতে পারেন তিনি যে, নিজে সংসার গুছিয়ে রাখতে জানেন।

মনসূর-শর্মিলার বিয়ের ছবি।

তাঁরা যে সময় বিয়ে করেন, তখন এই বিয়ে নিয়ে বেশ হইচই হয়। বিয়ের আগে, ‘বুলেট কথা বলে’— এমন হুমকিও পান। তাঁদের বিয়ে নিয়ে চিন্তায় ছিল দুই পরিবার। শুধু তা-ই নয়, পরিচালক যশ চোপড়াও তাঁদের বিয়ে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলে জানান শর্মিলা। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে নাকি নিরাপত্তার কারণে বদল করতে হয় অনুষ্ঠানস্থল। তবে মানুষ হিসাবে মনসূর ছিলেন খুবই বুদ্ধিদীপ্ত। প্রেমপর্ব চলাকালীন লন্ডন থেকে নাকি গোলাপ পাঠাতেন সইফের বাবা। বই পড়ার নেশা ছিল ভীষণ। তাঁর মেধা ও বুদ্ধিমত্তা এতটাই ছিল যে, সাধারণ মানুষ নাকি সহজে তাঁর রসিকতাও ধরতে পারতেন না।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement