বিজয়ের কথাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বললেন তাঁর সহপাঠী? ছবি: সংগৃহীত।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর আসনে তলপতি বিজয়। রবিবার শপথ নিয়েছেন তিনি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তারকা মুখ্যমন্ত্রীর বাবা এস এ চন্দ্রশেখর। তিনি জানান, বিজয়ের শৈশবে যথেষ্ট আর্থিক অভাব ছিল। খাওয়াদাওয়া নিয়েও লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে। বিজয় নিজেও তাঁর শৈশবের দারিদ্রের কথা বলেছেন। কিন্তু শৈশবের স্কুলজীবনের সহপাঠী তথা লেখর মনু জোসেফ এই দাবি মানতে নারাজ।
সম্প্রতি শপথ গ্রহণের পরে নিজের প্রথম ভাষণে বিজয় জানান, তিনি ছোটবেলায় দারিদ্র্য ও অভাবের মধ্যে বড় হয়েছেন এবং খিদের কষ্ট কী, তা তিনি খুব ভাল করেই জানেন। সাধারণ পরিবারের সন্তান হিসাবেই বড় হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন মনু জোসেফ। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, বিজয়ের এই দাবি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। লয়োলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে তাঁরা নাকি একসঙ্গে পড়তেন। বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর ছিলেন পরিচিত চলচ্চিত্র পরিচালক। ছেলেকে চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য শুরু থেকেই পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। মনু জোসেফের মতে, চলচ্চিত্রজগতের পরিবারে আর্থিক ওঠানামা থাকতেই পারে। কিন্তু তাকে প্রকৃত দারিদ্র্যের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক নয়। তাঁর দাবি, হাতে টাকা কম থাকা আর প্রকৃত অভাবের মধ্যে অনেকটা পার্থক্য রয়েছে।
বিজয়ের এই বক্তব্য এবং মনু জোসেফের প্রতিক্রিয়া ঘিরে সমাজমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ বিজয়ের বক্তব্যকে সমর্থন করছেন, আবার কেউ মনে করছেন মনু জোসেফ বাস্তব পরিস্থিতির দিকটিই তুলে ধরেছেন।
রবিবার পুত্রের শপথগ্রহণের পরে এস এ চন্দ্রশেখর বলেন, “ও আমার স্বপ্ন পূরণ করেছে। এক জন বাবা হিসাবে এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।” বিজয়ের বাবা আরও বলেন, “আমাদের বিয়ে হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, বিজয়ের জন্ম ১৯৭৪-এ। তখন আমি সহ-পরিচালক হিসাবে কাজ করি। একসময় খাবারের জন্যও লড়াই করেছি। ও কিন্তু সব মনে রেখেছে।”