ইয়ামি গৌতম। ছবি: সংগৃহীত।
ইয়ামি গৌতমের সুঅভিনেত্রী হিসেবে নামডাক রয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর স্বামী পরিচালক আদিত্য ধরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পরিচালক দক্ষ হলেও একপেশে প্রচারধর্মী ছবি বানান। কখনও আবার মুসলিম-বিদ্বেষেরও অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সে সব নিয়ে কখনওই প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অভিনেত্রীর স্বামী। তবে জানা যায়, তাঁর স্ত্রী ইয়ামিকে নিতে হয়েছিল কোরানের শিক্ষা। জানতে হয়েছিল ইসলামের নিয়মকানুন।
সম্প্রতি ইয়ামি গৌতমকে দেখা গিয়েছে শাজ়িয়া বানোর চরিত্রে। তাঁর অভিনীত ‘হক’ ছবিটি যেমন প্রশংসিত হয়েছে, ততটাই প্রশংসা কুড়িয়েছেন ইয়ামি নিজেও। ১৯৭০ সালে ভারতের একটি দৃষ্টান্তমূলক আইনি লড়াইকে ব়ড়পর্দায় তুলে ধরেন পরিচালক সুপর্ণ এস বর্মা। ছবিতে ইয়ামিকে দেখা যায় স্ত্রী হিসেবে নিজের অধিকারের লড়াই লড়তে। স্বামী ‘তিন তলাক’ দিয়েছে। কিন্তু সন্তান ও নিজের অধিকারের লড়াই লড়ে রীতিমতো দেশের আইনে বদল ঘটায় শাহ বানোর এই ঘটনা।
জানা গিয়েছে, চরিত্রটির একেবারে ভিতরে ঢুকতেই ইয়ামিকে কোরান শিক্ষা নিতে হয়। ইসলামের আইনকানুন বুঝতে সময় লাগে প্রায় দেড় বছর। সুপর্ণ বলেন, ‘‘আসলে আমরা এই ছবিটা করার সময় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ইসলামের আইনকানুন নিয়ে পড়েছি। কারণ, বাইরে অনেক বেশি তথ্য মজুত। কিন্তু কোনটা সঠিক কোনটা ভুল, সেটা জানাটা দরকার। কারণ, আমি চেয়েছিলাম এই ছবিটা যাতে প্রতিবাদের ভাষা হয়ে ওঠে।’’