ছবি : সংগৃহীত।
সারাদিনের পরিশ্রমের পরে ক্লান্তিবোধ আসা স্বাভাবিক। তাতে ক্ষতি নেই। বরং সেই ক্লান্তিবোধই দিনশেষের প্রয়োজনীয় বিশ্রামকে আরও নিশ্চিন্ত করে। রাতে ঘুম ভাল হয়। কিন্তু রাতে পর্যাপ্ত ঘুমনোর পরেও যদি ক্লান্তিবোধ থাকে। যদি সকালের কাজ শুরু করতে না করতেই উদ্যম হারিয়ে ফেলেন আর দুপুর হতে হতে আসতে শুরু করে ঝিমুনি, তবে সেই ক্লান্তিবোধ নিয়ে চিন্তা হওয়া উচিত। তা সমাধানের চেষ্টাও করা উচিত।
অনেক সময়েই শরীর যথাযথ পুষ্টি না পেলে বা শরীরে কোনও বিশেষ ভিটামিন বা খনিজের অভাব হলে তা থেকে ক্লান্তিবোধ আসতে পারে। সেক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ায় বদল এনে ক্লান্তিবোধ কাটানো সম্ভব। কোন কোন খাবার ক্লান্তিবোধ দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে নিতে সাহায্য করবে জেনে নিন।
১। ওটস
ওটসে থাকে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং বি ভিটামিন যা শরীরকে কাজ করার শক্তি জোগায়।
২। কলা
কলায় আছে ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম যা কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩। বাদাম
ভেজানো কাঠবাদাম এবং আখরোটে আছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়াম। যা বিপাকে সাহায্য করে কর্মশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
৪। শাকপাতা
পালং শাক এবং অন্যান্য শাকপাতায় থাকে আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিন সি। শরীরে যদি রক্তাল্পতার কারণে ক্লান্তিবোধ এসে থাকে, তবে তা দূর করতে সাহায্য করবে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার। এছাড়াও ভিটামিন সি বিপাকে সাহায্য করে এনার্জি তৈরি করবে।
৫। ডিম
ডিম বি ভিটামিনের ভাল উৎস। তাতে আছে কোলিনও। যা মস্তিষ্কের কাজে এবং কর্মশক্তির জোগান দিতে সাহায্য করে।
৬। রাঙা আলু
রাঙা আলুতেও আছে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন এ এবং পটাশিয়াম। যা দীর্ঘ ক্ষণ ধরে কর্মশক্তির জোগান দেয়, ক্লান্তিবোধ কাটায়।
৭। চিয়া বীজ
চিয়া বীজে থাকা প্রোটিন, ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং ক্লান্ত হয়ে পড়তে দেয় না।