কী ভাবে বাড়বে ডিমের পুষ্টিগুণ? ছবি: সংগৃহীত।
ডিম এমন এক খাবার, যা প্রোটিনের উৎস তো বটেই, ভিটামিন ও খনিজেও ভরপুর। এতে মেলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও। তাই দিনের শুরুটা পুষ্টিবিদ থেকে চিকিৎসকেরা ডিম দিয়েই করতে বলেন।
তবে ডিম মানেই কি শুধু প্রোটিন? এতে রয়েছে ভিটামিন বি এবং এ, ডি, ই, কে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় আয়রন, জ়িঙ্কের মতো খনিজ এবং প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলির পুনরুজ্জীবনে সহায়ক।
তবে ডিমের এই পুষ্টিগুণ আরও খানিক বাড়িয়ে নেওয়ার উপায় বলে দিলেন এমস এবং হার্ভার্ডে প্রশিক্ষত নেটপ্রভাবী পেটের চিকিৎসক সৌরভ শেট্টি। আমেরিকাবাসী চিকিৎসক বলেছেন, কী ভাবে ডিমে প্রদাহনাশক উপাদান যোগ করা যায় এবং তা হতে পারে আরও বেশি অন্ত্র-বান্ধব।
চিকিৎসকের ৫ ধাপ
১। ডিম ফেটিয়ে নিন। চিকিৎসক বলছেন, কোলেস্টেরল থাকলেও ডিমের কুসুম খাওয়া যায়। দিনে দুটো পর্যন্ত কুসুম-সহ ডিম চলতে পারে।
২। তার মধ্যে যোগ করুন এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো এবং গোলমরিচ। হলুদ প্রদাহনাশক উপাদান। এর অনেক রকম গুণ রয়েছে। আর সেই গুণ পেতে হলে গোলমরিচ দেওয়াটাও জরুরি।
৩। ভাল করে ফেটিয়ে নিয়ে এতে মেশান স্বাদ মতো নুন। তবে তার পরিমাণ কম হওয়াই ভাল।
৪। পছন্দের সব্জি যোগ করা জরুরি। শুধু পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা নয়, টম্যাটো, মাশরুম, টাটকা পালং শাক, অলিভ— এমন অনেক সব্জি মেশানো যেতে পারে এতে। সব্জিতে রয়েছে ফাইবার, যা পেটের পক্ষে ভাল। এ ছাড়াও এতে মেলে ভিটামিন এবং খনিজ। ডিমের প্রোটিনের সঙ্গে এই সব পু্ষ্টি উপাদান জুড়লে তা আরও পুষ্টিকর হয়ে ওঠে।
৫। সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে ওয়াটার পোচ বা অল্প তেলে কম আঁচে নরম করে ভাজা, স্ক্র্যাম্বলড এগ হিসাবে খাওয়া যায়। বেশি তেলে কড়া করে ভাজা অমলেট খেলে পু্ষ্টিগুণ নষ্ট হতে পারে।