Beets for Kidney

কিডনির রোগে ভুগছেন, অথচ বিট দিয়ে রকমারি পদ থাকছে পাতে? ঠিক নিয়মে না খেলে বড় ক্ষতির আশঙ্কা!

যাঁদের কিডনিতে পাথর রয়েছে বা পাথর জমার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের জন্য এই সব্জি একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। কী কী ভাবে রান্না করলে খাওয়া যায়?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২০
Share:

কিডনির সমস্যায় কী ভাবে বিট খাওয়া যায়? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বিটের গুণ অঢেল। হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, লিভার থেকে দূষিত পদার্থ বার করে অঙ্গের স্বাস্থ্য ভাল রাখা, সারা শরীরের প্রদাহ কমানো— এই সব্জির স্বাস্থ্য উপকারিতার তালিকা নেহাতই কম নয়। ১০০ গ্রাম কাঁচা বিটে প্রায় ৪৩-৩৬ ক্যালোরি, ২ গ্রাম প্রোটিন, ০.১ গ্রাম ফ্যাট, ৬-১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২-৩ গ্রাম ফাইবার এবং প্রচুর পরিমাণে ফোলেট (ভিটামিন বি ৯), পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ় ও ভিটামিন সি থাকে। যদিও লাল রং বলে অনেকেই মনে করেন, এতে প্রচুর আয়রন রয়েছে, তা সঠিক নয়। এটি নাইট্রেট এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের দুর্দান্ত উৎস। স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের জীবনে বিটের ব্যাপক কদর। কিন্তু সমস্যা হল, বিটেরও ক্ষতিকর দিক রয়েছে। সে সম্পর্কে অনেকেই ভুলে যান। আর সেই কথাই মনে করালেন পুষ্টিবিদ রেশমী রায়চৌধুরী।

Advertisement

যাঁদের কিডনিতে পাথর রয়েছে বা পাথর জমার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের জন্য এই সব্জি একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। সেই ব্যক্তির রক্তচাপ, লিভার এবং হার্টের জন্য হয়তো বিট খুবই কার্যকরী, কিন্তু কিডনির ক্ষতি করতে পারে অজান্তে। পুষ্টিবিদের কথায়, ‘‘প্রস্রাবে ক্যালশিয়াম, অক্সালেট বা ইউরিক অ্যাসিডের মতো খনিজের ঘনত্ব বেড়ে গেলে এবং তরলের পরিমাণ কমে গেলে কিডনিতে পাথর তৈরি হয়। সে ক্ষেত্রে অক্সালেট-যুক্ত খাবার খেলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যাঁদের কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা আছে, তাঁদের বিট এড়িয়ে চলা বা সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। এতে অত্যন্ত উচ্চমাত্রায় অক্সালেট থাকে।’’ তবে নির্দিষ্ট পন্থা মেনে চললে তাঁরাও বিট খেতে পারেন।

কিডনিতে পাথর জমার প্রবণতা থাকলে কোন কোন উপায় মেনে বিট খাওয়া যায়?

Advertisement

১. রোজ বিট না খাওয়াই উচিত। খেলেও সীমিত পরিমাণে খেতে হবে।

২. বিট খেতে হলে শরীর যেন জলের ঘাটতিতে না ভোগে। ডিহাইড্রেশন হলে বিট থেকে অক্সালেট শোষিত হয়ে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

৩. বিটে উপস্থিত অক্সালেটের প্রায় ৬০ শতাংশ বেরিয়ে যেতে পারে রন্ধনকৌশলে। সেদ্ধ বা ভাপে রান্না করলে বিটের অক্সালেট সেই জলে মিশে যায়। খাওয়ার সময়ে ওই জল ফেলে দিতে হবে। তার পর সেই বিট খেতে হবে। এতে অক্সালেটের পরিমাণ কমে যায়।

৪. লেবুর রস, অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার, এমনকি জিরের জল দিয়ে কাঁচা বিট খেলে অতিরিক্ত অক্সালেট বেরিয়ে যেতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement