Acidity Problem

রাতে খাওয়ার পর ধূমপান করেন? কেবল ফুসফুসের নয়, ক্ষতি হচ্ছে শরীরের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের

খাওয়ার পর অনেকেই ধূমপান করেন। এই অভ্যাস কিন্তু কেবল ফুসফুসের ক্ষতি করে না, তার পাশাপাশি পাকস্থলীরও বারোটা বাজায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৬
Share:

রাতে খাওয়ার পর ধূমপান করলে কোন সমস্যা বাড়ে? ছবি: সংগৃহীত।

ঝালে-ঝোলে-অম্বলে না-ই বা খেলেন। রাতে পাত পেড়ে ভূরিভোজও বন্ধ করে দিয়েছেন। বিরিয়ানি, পোলাও-মাংস দেখলে লোভও সামলে নিচ্ছেন আজকাল। রাতে হালকা করে ভাত-ডাল-তরকারি, বা নিদেনপক্ষে কোনও দিন মাংসের স্টু আর রুটি খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু তাতেও গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমছে না। রাতে খেয়ে শুতে গেলেই গলা-বুকে কেমন জ্বালা ভাব, সকালে উঠে পেটে ব্যথা। দেখলেন রাতের খাওয়া হজমই হয়নি। এ দিকে তেল, ঝাল, মশলা দেওয়া খাবার কমই খাচ্ছেন। তবু কেন হচ্ছে এমন?

Advertisement

অনেকেই হজমের ওষুধ খেয়ে সমস্যার সমাধান করে ফেলবেন ভাবেন। তবে তাতেও লাভ হবে না। রোজ রাতে হজমের ওষুধ খাওয়ার অভ্যাসও ঠিক নয়। আর জোয়ানের জল খেয়েও যে অম্বল একেবারে কমে যাবে, তা-ও নয়। তা হলে উপায়? বদলাতে হবে কিছু অভ্যাস।

রাতে খাওয়ার পরে কী কী নিয়ম মানলে অম্বল হবে না?

Advertisement

১) খেয়ে ওঠার আধ ঘণ্টা পরে এক গ্লাস জল খেতে হবে। খাবার খাওয়ার সময়ে জল খাবেন না কিন্তু। অনেকেরই খেতে বসে পিপাসা পায়। সে ক্ষেত্রে খেতে বসার আধ ঘণ্টা আগে জল খেয়ে নেবেন।

২) রাতে খেয়ে উঠে অন্তত ১৫-২০ মিনিটের মতো হাঁটতে হবে। ছাদে, বারান্দায় বা ঘরের ভিতরেও হাঁটতে পারেন। এক জায়গায় বসে না থাকলেই হল। এতে হজম যেমন ভাল হবে, তেমনই রক্তে শর্করাও জমতে পারবে না।

৩) খেয়ে উঠেই ঘুমোতে যাবেন না। ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে। কেউ যদি ১১টায় ঘুমোতে যান, তাঁকে ৮টায় খেয়ে নিতে হবে। সেই জন্য দুপুরের খাওয়া সারতে হবে বেলা ১২টার মধ্যে।

৪) রাতের খাবার হতে হবে সবচেয়ে হালকা। বেশি ভারী খাবার রাতে এড়িয়ে যাওয়া ভাল। সূর্যাস্তের আগে হজমশক্তি ভাল থাকে। সে কারণেই ভারী খাবার খেয়ে নিতে বলা হয় সন্ধে নামার আগেই।

৫) রাতে খাওয়ার পর অনেকেরই ধূমপান করার অভ্যাস আছে। অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে ধূমপানের কারণে এই সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। সিগারেটের ধোঁয়া শুধু পরিপাকের কাজে ব্যাঘাত ঘটায় না, বরং ধূমপান খাদ্যনালির সেই পেশিগুলিকেও শিথিল করে দেয়, যা পাকস্থলীর অ্যাসিডকে তার নির্দিষ্ট স্থানে ধরে রাখে, ফলে সমস্যা আরও বাড়ে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement