Child Ear Infection

প্রচণ্ড ঠান্ডায় কানের যন্ত্রণায় ভুগছে শিশু? সংক্রমণ থেকেও ব্যথা হতে পারে, কী ভাবে উপশম হবে?

কানের সংক্রমণে মাঝেমধ্যেই ভোগে শিশুরা। ঠান্ডার দিনে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। কানে ব্যথাও হয় ছোটদের। কী ভাবে এর উপশম হবে, বাবা-মায়েদের জেনে রাখা জরুরি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৬
Share:

ছোটদের কানে ব্যথা উপশমের উপায় কী? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

শীতের দিনে কানের সমস্যা অনেকেরই হয়। ছোটদের বিশেষ করে ঠান্ডা লাগা থেকে বা সংক্রমণের কারণে কানের ব্যথা হতে পারে। কান চুলকানো, কান দিয়ে জল বা পুঁজ বেরোনোর সমস্যা দেখা দেয়। কানে যন্ত্রণা হলে অনেক সময়েই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হয় না। তবে সামান্য ব্যথাও কিন্তু বড় আকার নিতে পারে যখন তখন।

Advertisement

ঋতু পরিবর্তনে কান বিশেষ ভাবে প্রভাবিত হয়। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে কানে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। সাধারণত বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণে সংক্রমণ বেশি হয়। ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়াজনিত সংক্রমণেই বেশি ভোগে শিশুরা। এই ধরনের সংক্রমণকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ওটাইটিস এক্সটার্না। আবার সাইনাসের কারণেও সংক্রমণ হতে পারে। মিউকাস যদি কানের পর্দার পিছনের অংশ পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়, তা হলে সেখানে ব্যাক্টেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হয়। ফলে কান দিয়ে জল বা পুঁজ বেরোতে থাকে। কানে ব্যথা শুরু হয়।

অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে তা থেকেও কানে ব্যথা হতে পারে। যে শিশুরা অ্যালার্জিক রাইনাইটিসে ভোগে, তাদের কানের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি।

Advertisement

ব্যথার উপশম হবে কী উপায়ে?

ছোটদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভাবে গরম সেঁক দেওয়া যেতে পারে। তবে কানের ভিতরে তেল বা ক্রিম জাতীয় কিছু দেবেন না। কানে তেল দেওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এর ফলে কানের পর্দা ও চামড়া উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ব্যথানাশক ওষুধ ছোটদের খাওয়ানো ঠিক নয়। প্যারাসিটামল বা ওই জাতীয় কোনও ওষুধ খাওয়াতে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ওষুধ, ড্রপ ব্যবহার করার ৬-৭ সপ্তাহ পরেও যদি কানে ব্যথা থেকে যায়, তা হলে চিন্তার কারণ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে অবহেলা না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

শিশুকে বেশি করে তরল খাবার খাওয়াতে হবে। পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। শরীরে জলের ঘাটতি হলে কানের যন্ত্রণা আরও বাড়বে।

যদি দেখেন কান দিয়ে পুঁজ বা রক্ত বার হচ্ছে, শ্রবণশক্তি কমে গিয়েছে, অথবা বারে বারে জ্বর আসছে, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement