তমন্না ভাটিয়ার তন্বী চেহারার নেপথ্যে যাঁর পরামর্শ কাজ করেছে, তিনি হলেন ফিটনেস প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিংহ। বলিউডে বহু তারকারই ফিটনেস সংক্রান্ত পরামর্শদাতা তিনি। সমাজমাধ্যমেও মাঝেমধ্যেই কোনটি খাওয়া দরকার, কী ভাবে খেলে ভাল, সে সংক্রান্ত পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
স্মুদি বা একঘেয়ে ওট্স নয়, কম কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিনে পরিপূর্ণ চকোলেটের স্বাদ-গন্ধ যুক্ত বিশেষ এক জলখাবার তৈরির পন্থা শেখালেন তিনি। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে এই খাবার হতে পারে নিত্যসঙ্গী।
এ জন্য লাগবে ২০০ গ্রাম গ্রিক ইয়োগার্ট, এক স্কুপ চকোলেট প্রোটিন পাউডার, ১ টেবিল চামচ পিনাট বাটার, চিনি ছাড়া ফ্রেঞ্চ ভ্যানিলা সিরাপ, একটি মাঝারি মাপের কলা, ১০-২০ গ্রাম গ্র্যানোলা।
সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে প্রাতরাশ।
কী এর উপকারিতা
ফিটনেস প্রশিক্ষকের মতে, চকোলেট প্রোটিন পাউডার এবং পিনাট বাটার দিয়ে তৈরি খাবারটি শুধু পেটই ভরায় না, প্রোটিনের অন্যতম উৎসও এটি। গ্রিক ইয়োগার্টে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। রকমারি খনিজে তা ভরপুর। পেটের পক্ষেও ভাল। এতে রয়েছে ভিটামিন বি১২, রাইবোফ্ল্যাভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম। এর সঙ্গে কলা যোগ করলে পটাশিয়াম এবং ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
ফাইবার এবং প্রোটিন রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অ্যামিনো অ্যাসিড পেশি সবল করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া প্রোটিন জাতীয় খাবার দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে অস্বাস্থ্যকর খাওয়ার প্রবণতা কমে।
গ্র্যানোলা হল বাদাম, ওট্স, বীজের মিশ্রণ। এতে ব্যবহার হয় মধুও। সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে তা বেক করা হয়। বাজারচলতি গ্র্যানোলায় অনেক সময় বাড়তি মিষ্টত্ব যোগ করা হয়। তবে ঘরে তৈরি গ্র্যানোলা স্বাস্থ্যকর। এতে ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। এতে মেলে কার্বোহাইড্রেটও, যা শক্তির উৎস।