Manish Chaudhari Fitness

৫৬-র মণীশ এখন আগের থেকেও বেশি শক্তিশালী! রোজ কোন ব্যায়ামে নিজেকে সুস্থ রেখেছেন অভিনেতা

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের শরীরচর্চার একটি ঝলকও শেয়ার করেছেন অভিনেতা মণীশ চৌধরি। কেট্‌লবেল নিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। কী ভাবে এই ব্যায়ামে নিজেকে ফিট রেখেছেন তিনি?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৪:৪৪
Share:

৫৬-তেও ‘তরুণ’ মণীশ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

‘‘আগের থেকেও বেশি শক্তিশালী আমি’’, ৫৬-য় এসে দাবি বলিউড অভিনেতা মণীশ চৌধরির। বয়স যে একটি সংখ্যা মাত্র, তা প্রমাণ করে দিলেন সাম্প্রতিক ভিডিয়োয়। ৬০-এ পৌঁছতে খুব দেরি নেই, তবু নিয়মিত শরীরচর্চা করে নিজেকে আগের চেয়েও শক্তিশালী বলে মনে করছেন তিনি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের শরীরচর্চার একটি ঝলকও শেয়ার করেছেন অভিনেতা। কেট্‌লবেল নিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। তাঁর কথায়, ‘‘অজুহাতের কোনও জায়গা নেই। এই বয়সেও শরীরকে মজবুত ও সক্রিয় রাখা সম্ভব।’’

Advertisement

কেট্‌লবেল নিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম করছেন বলি অভিনেতা। ছবি: ইনস্টাগ্রামের ভিডিয়ো

কেট্‌লবেল নিয়ে স্কোয়াট, লাঞ্জেস, রাশিয়ান ডেডলিফ্‌টের কায়দায় ব্যায়াম করছিলেন মণীশ। এগুলি কী ভাবে উপকার করে শরীরের?

১. কেট্ল‌বেল স্কোয়াট

Advertisement

এই ব্যায়াম মূলত ঊরু, নিতম্ব ও শরীরের মাঝের অংশের পেশিকে মজবুত করে। শরীরের নিম্নাংশের পেশিগুলি অর্থাৎ কোয়াড্রিসেপ্‌স, হ্যামস্ট্রিংস, গ্লুটসের পাশাপাশি কোর পেশিকেও সক্রিয় করে। একই সঙ্গে হাঁটুর অস্থিসন্ধির স্থিতিশীলতা বাড়ায়। ফলে শরীরের নীচের অংশ সক্রিয় থাকে এবং দৈনন্দিন চলাফেরা সহজ হয়।

২. কেট্ল‌বেল লাঞ্জেস

এই ব্যায়াম মূলত শরীরের ভারসাম্য রাখার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। এতে শরীরের দু’পাশের পেশিশক্তির ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে হাঁটা, ওঠা-বসা বা দৌড়োনোর সময় শরীর স্থির থাকতে পারে।

৩. কেট্ল‌বেল ডেডলিফ্‌ট

এই ধরনের ব্যায়ামে কোমর, নিতম্ব এবং পিঠের পেশি একসঙ্গে কাজ করে। এতে মেরুদণ্ডের স্থিতিশীলতা বাড়ে এবং শরীরের সামগ্রিক শক্তিও উন্নত হয়। কেট্‌লবেল নিয়ে ব্যায়ামের আরও একটি বড় উপকারিতা হল, গ্রিপ বা হাতে ধরার শক্তি বাড়ানো।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের পেশি ধীরে ধীরে ক্ষয় পেতে থাকে। নিয়মিত শক্তিবৃদ্ধির ব্যায়াম করলে পেশিক্ষয়ের গতি অনেকটাই শ্লথ হয়। এতে শরীরের বিপাকক্রিয়াও ভাল থাকে, ইনসুলিনের কাজ ঠিক মতো হয় এবং আঘাত পাওয়ার ঝুঁকিও কমে। তবে ব্যায়াম শুরু করার সময়ে সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখা খুব জরুরি। ধীরে ধীরে অনুশীলনের মাত্রা বাড়ানো উচিত। শুরু থেকেই নিজের উপর জোর না দিয়ে শরীর বুঝে ব্যায়াম করতে হবে। ব্যায়ামের আগে ওয়ার্মআপ বা শরীর গরম করা, স্ট্রেচিং এবং যথেষ্ট বিশ্রামও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement