অখিলেশ যাদব। — ফাইল চিত্র।
সমাজবাদী পার্টি (এসপি)-র নেতা অখিলেশ যাদবের ভূমিকায় খুবই ক্ষুব্ধ দলের নেতা-সাংসদেরা। তাই এসপি-তে ভাঙন এখন সময়ের অপেক্ষা বলে আজ ফের দাবি করলেন এনডিএ-র শরিক দল সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির নেতা তথা যোগী আদিত্যনাথ মন্ত্রিসভার সদস্য ওমপ্রকাশ রাজভড়। তাঁর দাবি, ‘বাগী এলাকা’ বলে পরিচিত বালিয়ার এক সাংসদ এসপি-তে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেবেন।
রাজভড় নিজের বক্তব্যে বালিয়ার ব্রাহ্মণ সাংসদ সনাতন পাণ্ডের নাম না নিলেও রাজনীতিকদের মতে, সম্প্রতি এসপি দফতরে হওয়া দলীয় সম্মেলনে ব্রাহ্মণ নেতাদের সঙ্গে ‘দুর্ব্যবহার’ দেখে খুবই ক্ষুব্ধ হন সনাতন। অভিযোগ, তার পরেই বিজেপির ইন্ধনে দল ভাঙানোর প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি। অন্তত ২০-২৫ জন এসপি সাংসদ অখিলেশের নেতৃত্বে ক্ষুব্ধ এবং তাঁরা দ্রুত দলত্যাগ করবেন বলে রাজভড়ের মতোই আজ দাবি করেছেন যোগী মন্ত্রিসভার সদস্য সঞ্জয়কুমার নিষাদ। তিনি বলেন, ‘‘এসপি ও কংগ্রেসের যে সাংসদেরা হিন্দুত্বে বিশ্বাস করেন, তাঁরা নানা ভাবে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। তাঁদের সংখ্যা দু’ডজনের কাছাকাছি।’’
তৃণমূল বা শিবসেনায় হওয়া বিদ্রোহের পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেই দায়ী করেছিলেন বিদ্রোহীরা। এসপি-তেও আঙুল তোলা হচ্ছে অখিলেশের দিকে। উঠছে গোমতী নদী সৌন্দর্যায়ন প্রকল্প ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগও। রাজভড়ের দাবি, ওই প্রকল্পে দুর্নীতির দায়ে এসপি নেতা গায়ত্রী প্রজাপতি জেলে বন্দি এবং ওই দুর্নীতিতে অখিলেশ ছাড়াও এসপি-র আর এক বর্ষীয়ান নেতা রামগোপাল যাদবের ছেলে, অন্যতম শীর্ষ নেতা শিবপাল যাদব, শিবপালের ছেলে ও অখিলেশের পরিবারের অন্যরা জড়িত।
এমতাবস্থায় অখিলেশের বক্তব্য, বিজেপি নির্বাচনের আগে এসপি-কে দুর্বল করতে বিধায়ক-সাংসদদের ভাঙানোর চেষ্টা করছে। কর্মীদের প্রতি তাঁর বার্তা, ‘‘যাঁরা সাহসী, তাঁরা সঙ্গে থেকে যাবেন। আর যারা ভিতু, তাঁরা বিক্রি হয়ে অন্য দলে যোগ দেবেন।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে