Quick Relief from Nausea

ঘন ঘন বমি ভাব, গা গুলোনোর সমস্যায় নাজেহাল? ঘরোয়া টোটকা মেনে নিমেষে দূর করুন অস্বস্তি

বমি করার ইচ্ছে জাগে, অথচ বমি হয় না— এমন অনুভূতি সকলেরই কখনও না কখনও হয়ে থাকে। কিন্তু এই অস্বস্তি রোগীকে ক্লান্ত, বিরক্ত করে তুলতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রশিক্ষিত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বমি বমি ভাব থেকে চটজলদি মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া টোটকার উল্লেখ করলেন সমাজমাধ্যমে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:৩৮
Share:

বমি ভাব কাটানোর উপায়। ছবি: সংগৃহীত।

বদহজম, খাদ্যে বিষক্রিয়া, মোশন সিকনেস, মাইগ্রেন, গর্ভাবস্থা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া— বমি বমি ভাবের হাজারো কারণ থাকতে পারে। নানা ধরনের অসুখবিসুখের লক্ষণ হিসেবেও তা অতি পরিচিত। বমি করার ইচ্ছে জাগে, অথচ বমি হয় না। আর এই অস্বস্তি রোগীকে ক্লান্ত, বিরক্ত করে তুলতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কেউ অ্যান্টাসিড খান, কেউ বা গরম জল, কেউ খাবার খান, কেউ বা না খেয়ে থাকেন। তার পরেও রেহাই মেলে না অনেক ক্ষেত্রে।

Advertisement

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রশিক্ষিত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ওয়েন্ডি লেব্রেট বমি বমি ভাব থেকে চটজলদি মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া টোটকার উল্লেখ করলেন সমাজমাধ্যমে। ভিডিয়োর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘‘কোনও কিছু শুঁকলে সত্যিই বমি বমি ভাব কমে যেতে পারে। তীব্র গন্ধ অলফ্যাক্টরি নার্ভকে উদ্দীপিত করে, যে স্নায়ু সরাসরি মস্তিষ্কে গিয়ে সেই জায়গায় প্রভাব ফেলে, যেখানে বমি বমি ভাবের অনুভূতি তৈরি হয়।’’

বমি ভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া টোটকা। ছবি: সংগৃহীত।

৪ রকমের ঘরোয়া উপকরণের কথা বললেন চিকিৎসক, যা শুঁকলে বমি ভাব, গা গুলোনোর সমস্যা কমে যেতে পারে—

Advertisement

১. আদা: বমি বমি ভাবের প্রতিকার হিসেবে সুপরিচিত আদা। বহু কাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এটি। বমি ভাব কমানোর জন্য আদার গন্ধ শুঁকতে পারেন। আদা বাটা বা আদা থেঁতো করে শুঁকতে থাকুন। ধীরে ধীরে বমি ভাব কমে আসতে পারে। তা ছাড়া আদা দেওয়া চা পান করতে পারেন, অথবা টাটকা আদার টুকরো চিবিয়ে খেতেও পারেন।

২. পুদিনা: পুদিনা পাতা পেটের প্রদাহকে প্রশমিত করতে পারে এবং পুদিনার গন্ধে বমি ভাব দূর হতে পারে। তা ছাড়া পুদিনা পাতা দেওয়া চা পান করতে পারেন।

৩. লেবু: একই ভাবে কাজ করতে পারে পাতিলেবুর রস। লেবুর সুগন্ধ অথবা লেবুর এসেনশিয়াল অয়েল নিঃশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে বমি ভাব কমতে পারে। লেবুর রস মেশানো এক গ্লাস জলও পান করতে পারেন।

৪. অ্যালকোহল সোয়াব: চিকিৎসক বলছেন, অ্যালকোহল সোয়াব এ ক্ষেত্রে চটজলদি কাজ করতে পারে। অ্যালকোহল সোয়াব হল একটি ছোট গজ় প্যাড, যা ৭০ শতাংশ আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল দিয়ে পরিপূর্ণ। ইঞ্জেকশন, রক্তদান ইত্যাদির আগে ত্বককে জীবাণুমুক্ত করার জন্য অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এই ছোট্ট কাপড়ের টুকরো শুঁকে নিলে গা গুলোনোর সমস্যা কমতে পারে।

তবে মাথায় রাখবেন, এই সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, কারণ এটি গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে পদক্ষেপ করা দরকার। এগুলি কেবল মাত্র প্রাথমিক ভাবে বমি ভাব কমানোর প্রক্রিয়া হিসেবে অনুসরণ করা যেতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement