Healthy Rava Keshari

মিষ্টি সুজির হালুয়ার বদলে বানিয়ে ফেলুন রাভা কেশরী! দক্ষিণ ভারতীয় ওই মিষ্টি স্বাস্থ্যকরও হতে পারে

সুজি দিয়ে রাভা কেশরী বানানো বেশ সহজ এবং এটি দক্ষিণ ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি মিষ্টি। এটি তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি এবং একে স্বাস্থ্যকর করে তোলার উপায় জেনে নিন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫১
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

সুজি দিয়ে হালুয়া খেয়েছেন, নোনতা সুজি বা উপমাও খেয়েছেন কিন্তু সুজি দিয়ে রাভা কেশরী বানিয়ে খেয়েছেন কি কখনও। অথচ এই খাবারটি দক্ষিণ ভারতে বেশ জনপ্রিয় একটি মিষ্টি। পুজো-আচ্চার দিনে বানানো হয়। খেতে তো সুস্বাদু বটেই। বানানোও বেশ সহজ। দক্ষিণ ভারতের ওই মিষ্টি তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি এবং তাকে স্বাস্থ্যকর করে তোলার উপায় জেনে নিন।

Advertisement

রাভা কেশরী তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি

উপকরণ:

Advertisement

১ কাপ সুজি

১.৫ থেকে ২ কাপ চিনি

Advertisement

আধ কাপ ঘি

৩ কাপ জল

সামান্য এলাচ গুঁড়ো

৩-৪ টেবিল চামচ কাজু ও কিসমিস

জাফরান এক চিমটি

প্রণালী:

প্রথমে একটি প্যানে ১ চামচ ঘি দিয়ে কাজু ও কিসমিস ভেজে তুলে রাখুন। ওই প্যানেই সুজি দিয়ে হালকা আঁচে ৫-৭ মিনিট ভাজুন যতক্ষণ না সুন্দর গন্ধ বের হয় (রঙ যেন লাল না হয়ে যায়)।

অন্য একটি পাত্রে ৩ কাপ জল ফুটিয়ে নিন। জল ফুটে উঠলে ভাজা সুজিটি অল্প অল্প করে দিয়ে নাড়তে থাকুন যাতে দলা পাকিয়ে না যায়। সুজি সেদ্ধ হয়ে জল টেনে নিলে এতে চিনি দিয়ে দিন। চিনি গলে মিশ্রণটি আবার একটু পাতলা হবে।

এবার বাকি ঘি, এলাচ গুঁড়ো এবং সামান্য জলে গোলানো জাফরান বা কেশরী রঙ মিশিয়ে দিন। মিশ্রণটি কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে ভাজা কাজু-কিসমিস মিশিয়ে নামিয়ে নিন।

এটি কি স্বাস্থ্যকর মিষ্টি?

সাধারণভাবে তৈরি রাভা কেশরীকে পুরোপুরি ‘স্বাস্থ্যকর’ বলা কঠিন। কারণ, এতে প্রচুর পরিমাণ পরিশোধিত চিনি থাকে। এ ছা়ড়া সুজি রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট, যাতে ফাইবার বা প্রোটিন কম থাকে। চিনি ও সুজির সংমিশ্রণে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে চাইলে একে স্বাস্থ্যকর বানানো যায় না, তা নয়

কী ভাবে স্বাস্থ্যকর বানানো যায়?

১. চিনির বদলে গুড়, খাঁটি মধু বা স্টিভিয়া ব্যবহার করুন। গুড় ব্যবহার করলে আয়রন পাওয়া যায়, যা চিনির চেয়ে ভালো।

২. সাধারণ সুজির বদলে ‘হোল হুইট সুজি’ বা ব্রাউন টপ মিলেট ব্যবহার করতে পারেন। এতে ফাইবারের মাত্রা বেশি থাকে।

৩. ঘি শরীরের জন্য ভালো, তবে তার পরিমাণ কমিয়ে আনুন।

৪. মিষ্টিতে কাজু-কিসমিসের পাশাপাশি চিয়া সিডস, ফ্ল্যাক্স সিডস বা আমন্ড কুচি বেশি করে দিন। এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কিছুটা কমে এবং পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে।

৫. কৃত্রিম ফুড কালার এড়িয়ে চলুন। বদলে জাফরান বা বিট রুটের রস ব্যবহার করে চমৎকার প্রাকৃতিক রঙ আনা সম্ভব।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement