বেকার্স সিস্ট কতটা ভয়ের? ছবি: সংগৃহীত।
বাত বা আর্থ্রাইটিসে ভুগছেন দীর্ঘ দিন ধরে? এমনটা হলে কিন্তু বেকার্স সিস্ট হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। বেকার্স সিস্ট হল হাঁটুর পিছন দিকে তৈরি হওয়া একটি ছোট, তরল ভরা পিণ্ড। চিকিৎসকেরা একে 'পপলাইটাল সিস্ট'ও বলে থাকেন।
যখন কোনও কারণে হাঁটুর জয়েন্ট বা এর চারপাশের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখনই বেকার্স সিস্ট তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে হাঁটু থেকে অতিরিক্ত তরল বেরিয়ে আসে। এই তরল কেবল এক দিকেই নিষ্কাশিত হতে পারে— জয়েন্টের পিছন দিক দিয়ে। এই জমে থাকা তরলই একটি থলি তৈরি করে, যা পরে বেকার্স সিস্টে পরিণত হয়। পপলাইটাল সিস্ট তেমন ক্ষতিকর নয়। এর মানে, এগুলি টিউমার নয় এবং কখনওই ক্যানসারের লক্ষণ বা উপসর্গ নয়। এই ধরনের সিস্ট ক্ষতিকর না হলেও এগুলি ফেলে রাখা উচিত নয়। এই সিস্ট ফেটে গিয়ে পরবর্তী সময়ে সমস্যা বাড়াতে পারে।
হাঁটুর পিছনে যদি ফোলাভাব তৈরি হয়, তা হল বেকার্স সিস্টের সবচেয়ে সুস্পষ্ট লক্ষণ। এই ফোলাভাবের পাশাপাশি হাঁটুতে তীব্র ব্যথা, হাঁটু ভাঁজ করতে সমস্যা হওয়া, এবং হাঁটু, উরু বা পায়ের মাংসপেশিতে ফোলাভাবও কিন্তু বেকার্স সিস্টের লক্ষণ হতে পারে।
কেন হয়?
যে কোনও কারণে হাঁটুর অস্থিসন্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখানে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে এবং পপলাইটাল সিস্ট হতে পারে। এর সবচেয়ে সাধারণ কারণ হল হাঁটুর আর্থ্রাইটিস। আঘাতের কারণেও বেকার্স সিস্ট হতে পারে। আঘাতজনিত ক্ষতির ফলে আপনার হাঁটুতে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। এর ফলে তরলও জমতে পারে, যা পরবর্তীতে সিস্টে পরিণত হতে পারে।