Child’s Eye Care Tips

বর্ষায় চোখের কী কী সমস্যা ভোগায় শিশুদের? বাবা-মায়েরা কী ভাবে খেয়াল রাখবেন?

বর্ষার সময়ে চোখে জ্বালা, চুলকানি, অ্যালার্জি জনিত সমস্যা দেখা দেয় ছোটদের। এই সময়ে চোখের নানা সংক্রমণ ভোগায়। তাই বাবা-মায়েদের বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ১৭:২৯
Share:

বর্ষার সময়ে শিশুর চোখের খেয়াল রাখবেন কী ভাবে? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

কখনও বৃষ্টি, আবার কখনও ভ্যাপসা গরম। এই সময়ে চোখের নানা সমস্যা বাড়ে। বিশেষ করে ছোটদের চোখে অ্যালার্জিও হতে পারে। এই সময়ে কনজাঙ্কটিভাইটিসও হয় অনেকের। তাতে চোখ লাল হয়ে যায়, অনবরত জল পড়তে থাকে। তাই বড়রা তো বটেই, ছোটদেরও চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। বাবা-মায়েরা খেয়াল করবেন, শিশু যদি বলে, চোখ জ্বালা করছে বা চোখ দিয়ে জল পড়ছে, তা হলে অ্যালার্জির লক্ষণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হবে।

Advertisement

চোখের কী কী সংক্রমণ ভোগায়?

কনজাঙ্কটিভাইটিসের সংক্রমণ এই সময়ে বেশি হয়। কনজাঙ্কটিভাইটিস সাধারণত তিন ধরনের হয়— ‘অ্যালার্জিক কনজাঙ্কটিভাইটিস’, ‘ইনফেকটিভ কনজাঙ্কটিভাইটিস’ এবং ’কেমিক্যাল কনজাঙ্কটিভাইটিস।’ ধুলোবালি, কোনও খাবার, ওষুধ থেকে অ্যালার্জিক কনজাঙ্কটিভাইটিস হতে পারে। বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া ও ভাইরাস থেকে সাধারণত ইনফেকটিভ কনজাঙ্কটিভাইটিস হয়। চোখ লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া, অনবরত চোখ থেকে জল পড়ার সমস্যা হলে সতর্ক হতে হবে।

Advertisement

বর্ষার নোংরা জল চোখে গিয়ে বা জীবাণু সংক্রমণের কারণে কর্নিয়ায় ঘা বা আলসার হতে পারে। একে বলে কর্নিয়াল আলসার। চোখে তীব্র ব্যথা, আলো পড়লে চোখে যন্ত্রণা, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

বাতাসে ভাসমান পরাগরেণু, ছত্রাক ও আর্দ্রতার কারণে শিশুদের চোখে অ্যালার্জি হতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রথমে এক চোখে সমস্যা শুরু হয়। পরে অন্য চোখও আক্রান্ত হয়। অনেকেই প্রাথমিক স্তরে এই রোগটি হালকা ভাবে নেন। ফলে সময় মতো চিকিৎসা শুরু না হওয়ায় এই রোগ দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। এতে ক্ষতি হতে পারে কর্নিয়ারও।

বাবা-মায়েরা কী কী খেয়াল রাখবেন?

১) শিশুকে বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর, খাওয়ার আগে এবং পরে ভাল করে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করান। নোংরা হাত চোখে দিলে তা থেকেও সংক্রমণ ঘটতে পারে।

২) চোখ লাল হলে বা চুলকালে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিতে হবে। কোনও ভাবেই চোখ ঘষা চলবে না।

৩) বর্ষার জমা জলে শিশুদের খেলতে দেবেন না। জমা জলে এমন কিছু ব্যাক্টেরিয়া ও ছত্রাক মিশে থাকে, যা থেকে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটতে পারে।

৪) বর্ষাকালে সুইমিং পুলের জলে সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই এই মরসুমে শিশুদের পুলে সাঁতার কাটতে না পাঠানোই ভাল।

৫) চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যে কোনও স্টেরয়েড বা অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ শিশুর চোখে দিলে তা থেকে ক্ষতি হতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement