Mrunal Thakur’s Fitness Routine

তিন ভাগে বিভক্ত মৃণালের ফিটনেস রুটিন, একঘেয়ে শারীরচর্চা ছেড়ে কী ভাবে ছিপছিপে রয়েছেন নায়িকা

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ফিটনেস রুটিনের কথা ভাগ করে নিয়েছেন বলিউড নায়িকা। তিনটি জিনিসের মিশ্রণে তৈরি তাঁর শারীরচর্চার ছন্দ। কী ভাবে ফিট থাকেন নায়িকা?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ ১৩:৪৩
Share:

মৃণাল ঠাকুরের ফিটনেস সফর। ছবি: সংগৃহীত।

জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানোই ফিট থাকার একমাত্র রাস্তা নয়। বার বার সে কথা প্রমাণ করেছে তারকাদের যাপন। যেমন বক্সিং করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন বলিউড অভিনেত্রী দিশা পটানি, ব্যাডমিন্টন খেলেন দীপিকা পাড়ুকোন, ফুটবল মাঠে সময় কাটান জন আব্রাহাম, জিমে পা-ই রাখেন না মিলিন্দ সোমন। চিরাচরিত শারীরচর্চা থেকে বিরতি নিয়ে ফিট থাকতে দেখা যায় দেশের একাধিক তারকাকে। মৃণাল ঠাকুর এই তালিকায় নয়া সংযোজন।

Advertisement

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ফিটনেস রুটিনের কথা ভাগ করে নিয়েছেন বলিউড নায়িকা। এই মুহূর্তে তাঁর ফিটনেস যাত্রায় তিনটি জিনিস রয়েছে। সপ্তাহে দু’দিন পিলাটিজ়, দু’দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং অর্থাৎ শক্তিবৃদ্ধির ব্যায়াম এবং দু’দিন বাবার সঙ্গে টেনিস খেলা— এই তিনের মিশ্রণেই তৈরি তাঁর শারীরচর্চার ছন্দ।

মৃণালের ফিটনেস যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভাগীদার টেনিস। ছবি: সংগৃহীত

পিলাটিজ় শরীরের পেশিগুলিকে শক্তিশালী করে। বিশেষ করে পেট, কোমর এবং পিঠের অংশে স্থিতি বাড়ায়। ফলে শরীরের ভঙ্গি সঠিক হয়, নমনীয়তাও বাড়ে। দীর্ঘ সময় কাজ করা বা ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকার ফলে শরীরে যে চাপ তৈরি হয়, সেটাও কমাতে সাহায্য করে এই ব্যায়াম। অন্য দিকে, স্ট্রেংথ ট্রেনিংয়ের ভূমিকা সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেবল ‘টোনড’, চর্বিহীন, ছিপছিপে শরীরের চাহিদায় এই ব্যায়াম করা হয়, তা নয়। শরীরের শক্তিবৃদ্ধিতেও বিশেষ ভাবে কার্যকরী এটি। নিয়মিত স্ট্রেংথ ট্রেনিং করলে, পেশি এবং হাড় মজবুত থাকে, বিপাকক্রিয়া উন্নত হয়। আবার, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের দুর্বলতা ও পেশিক্ষয় কমাতেও সাহায্য করে এটি। এর ফলে রক্তে শর্করাও নিয়ন্ত্রিত থাকে।

Advertisement

আর এই পুরো রুটিনে সবচেয়ে মজাদার ও আকর্ষণীয় অংশ হল, টেনিস। মৃণাল জানিয়েছেন, তিনি বাবার সঙ্গে টেনিস খেলতে ভালবাসেন। টেনিসের মতো খেলার ভূমিকা কেবল ক্যালোরি পোড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, শরীরের গতি, ভারসাম্য, শক্তি এবং প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতাও বাড়ায়। সবচেয়ে বড় কথা, এই ধরনের রুটিন তৈরি করলে শারীরচর্চা তার ‘একঘেয়ে’ তকমা ঘোচাতে পারে। ফিটনেসের যাত্রাকে আরও আনন্দদায়ক মনে হতে পারে। এর ফলে ব্যায়াম করা নিয়ে আলস্যও কেটে যেতে পারে। এই তিন ধরনের শারীরচর্চা একসঙ্গে করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, শরীরে ভারসাম্য বজায় থাকে। লক্ষ্য কেবল আর রোগা হওয়ার মধ্যে আটকে থাকে না, বরং ফিট থাকার জন্য কসরত করে শরীর ও মন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement