সারা দিনে কী ভাবে খাবেন ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার? ছবি: সংগৃহীত।
স্বাস্থ্য সম্পর্কে যতই সচেতনতা তৈরি হচ্ছে, জিমে গিয়ে শরীরচর্চার প্রবণতা বাড়ছে, ততই প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট নিয়ে আলোচনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য ফাইবার উপকারী জানার পরেই অনেকেই সকাল থেকে রাতের খাদ্যতালিকায় ফাইবার জুড়ছেন।
তবে পুষ্টিবিদেরা সতর্ক করছেন, ফাইবার মানেই পেট ভাল রাখার চাবিকাঠি নয়। বরং বাড়াবাড়ি করলেই বিপদ অনিবার্য। যে ফাইবার খাবার হজমে সাহায্য করায়, সেটাই হতে পারে বদহজমের কারণ।মুম্বই নিবাসী পুষ্টিবিদ রাশি চৌধরি বলছেন, ফাইবার নিঃসন্দেহে জরুরি। কিন্তু কী ভাবে তা খাওয়া হচ্ছে, কতটা, অন্ত্রের অবস্থা কী রকম, তার উপর সবটা নির্ভর করবে।
সুস্থ থাকতেই স্যালাড থেকে সিরিয়াল, দানাশস্য জাতীয় খাবার অনেকেই দিনভর নানা ভাবে খাচ্ছেন। পুষ্টবিদ সতর্ক করছেন, তা থেকেও কিন্তু পেটের সমস্যা হতেই পারে। কাঁচা সব্জির স্যালাড বা কাঁচা স্যালাড সকলেরই যে সহ্য হবে, তা নয়। আবার দানাশস্যও ঠিকমতো না খেলে পেটফাঁপা, বদহজমের সমস্যা হতে পারে। তাই এক ধাক্কায় পুরো খাদ্যতালিকা বদলে ফেলার চেয়ে পুষ্টিবিদের পরামর্শ ধীরে ধীরে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধির। কী ভাবে তা বাস্তবায়িত করা সম্ভব?
চিয়া বীজ
সকালে উঠে দুই চামচ ভেজানো চিয়াবীজ খেলে প্রাতরাশে শসার সঙ্গে ভেজানো চিয়াবীজ স্যালাড হিসাবে খেলে ফাইবার পাওয়া যাবে অনেকটাই।
ফল বাছাই
দিনে কেউ এক বাটি তরমুজ খেতে পারেন আবার পেয়ারাও। যদি শরীর ঠান্ডা রাখতে হয়, জলের ঘাটতি দূর করতে হয়, সে ক্ষেত্রে তরমুজ ভাল। কিন্তু ফাইবার পেতে চাইলে তরমুজের বদলে একটি পেয়ারা বেছে নিতে হবে।
ভাতের বদলে জোয়ারের রুটি
সাদা ভাতের বদলে অনেকে ব্রাউন রাইস খাচ্ছেন। তবে পুষ্টিবিদ মনে করালেন, ব্রাউন রাইসেও খুব বেশি ফাইবার থাকে না। তার বদলে জোয়ারের রুটি খেলে ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
সেদ্ধ কাবলি ছোলা
এক কাপ সেদ্ধ কাবলি ছোলায় প্রায় ১২ গ্রাম ফাইবার মেলে, যা দৈনন্দিন ফাইবারের চাহিদার তিন ভাগের এক ভাগ।
প্রুন
প্রুনের মতো ফল ইদানীং এ দেশেও জনপ্রিয় হচ্ছে। খরমুজ বা অন্য ফলের বদলে প্রুন খেলেও ফাইবারের মাত্রা বৃদ্ধি করা সম্ভব।