ইদানীং কি কম শুনছেন? ছবি: সংগৃহীত।
বয়সজনিত কারণে দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি ক্ষীণ হয়ে যায় স্বাভাবিক নিয়মেই। কিন্তু এখন কমবয়সিদের মধ্যেও বাড়ছে শ্রবণশক্তি জনিত সমস্যা। যে হারে শব্দদূষণ বাড়ছে, তাতে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে এ ছাড়াও রোজের কিছু অভ্যাসও শ্রবণশক্তির ক্ষতি করছে। কটন বাড তো বটেই, চুলের ক্লিপ, সেফটিপিন, কাঠি দিয়ে কান পরিষ্কার করেন কেউ কেউ। অনেকে আবার সারা দিন কানে হেডফোন গুঁজে কাজ করেন। অনেকে অন্যের হেডফোন ব্যবহার করেন আপন মনে করে। অল্প বয়সে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে এই কারণগুলি যথেষ্ট। রাতারাতি শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যায় না। কিছু কিছু উপসর্গ লক্ষ করলে শ্রবণশক্তি যে কমতে শুরু করেছে, তার আঁচ পাওয়া যায়। জেনে নিন, কোন উপসর্গগুলিকে অবহেলা করলেই বিপদে পড়বেন।
১) অন্যদের কথা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে? বারে বারেই কী বলছেন, প্রশ্নটি করতে হচ্ছে? এই সমস্যা কিন্তু শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার উপসর্গ হতে পারে। এমনটা ক্রমাগত হতে থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
২) শান্ত পরিবেশেও কানে ভোঁ ভোঁ, ভন ভন বা শিসের মতো শব্দ শুনতে পাওয়াও ভাল লক্ষণ নয়। এই সমস্যাকে 'টিনিটাস' বলা হয়। এটি অন্তঃকর্ণের স্নায়ু দুর্বল হয়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। এই সমস্যা উপেক্ষা করা উচিত নয়, নইলে স্থায়ী ভাবে শ্রবণশক্তি চলে যেতে পারে।
৩) টিভি চালালেই তার শব্দ এতটাই বাড়িয়ে দিচ্ছেন যে, বাড়ির অন্য সদস্যদের সমস্যা হচ্ছে কিংবা মোবাইলে ফোন এলে কিছুই ঠিকঠাক শুনতে পাচ্ছেন না— এই লক্ষণগুলিও কিন্তু শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।