Waking Up Rule

ঘুম ভেঙে ওঠার মুহূর্তেই ভুল করে বসছেন? অজান্তেই রোগ দানা বাঁধছে শরীরে, দ্রুত সতর্ক হোন

দিনের শুরুতেই ছোট্ট এক অভ্যাস শরীরের বড় ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে কোমর, ঘাড় আর মেরুদণ্ডের উপর পড়তে পারে অযথা চাপ। তাই কী ভাবে ঘুম থেকে উঠবেন, তা নিয়ে ভাবা উচিত।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ ১১:০৭
Share:

ঘুম থেকে ওঠার সঠিক উপায় কী? ছবি: সংগৃহীত।

সকালে চোখ খোলার মুহূর্তেই কি এমন ভুল করে ফেলছেন, যার জন্য সারা দিনটা নষ্ট হতে পারে? কোনও দিনও ভেবেছেন, ঘুম ভেঙে বিছানা ছাড়ারও নির্দিষ্ট পন্থা রয়েছে? ভাবেননি বলেই বোধ হয় মাঝে মধ্যেই ঘাড় নাড়াতে না পারার মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। দিনের শুরুতেই এই ছোট্ট অভ্যাস শরীরের বড় ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে কোমর, ঘাড় আর মেরুদণ্ডের উপর পড়তে পারে অযথা চাপ। তাই প্রশ্ন উঠছে, ঘুম থেকে ওঠার সঠিক উপায় কী? বাঁ দিকে কাত হয়ে উঠবেন, ডান দিকে ভর দেবেন, না কি সোজা উঠে বসবেন?

Advertisement

আপনি কী ভাবে ঘুম ভাঙার পর বিছানা ছেড়ে ওঠেন, তার উপর নির্ভর করছে, শিরদাঁড়ায় কী রকম চাপ পড়বে না পড়বে। একই সঙ্গে কোমর, ঘাড়, অস্থিসন্ধি, পেশির স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই সঠিক নিয়মটি জেনে নেওয়া উচিত। সঙ্গে ভুলগুলিও।

অস্থিরোগ চিকিৎসকদের মতে, ঘুম ভাঙার পর আচমকা সোজা হয়ে উঠে বসে পড়ার অভ্যাস আদপে ক্ষতিকারক। এর ফলে ৬-৮ ঘণ্টা একটানা শুয়ে থাকা শরীরে হঠাৎ ধাক্কা লাগে। ঘুমের সময়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে মেরুদণ্ড বিশ্রামের অবস্থায় থাকে। সেই সময়ে ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্কগুলিও জল শোষণ করে কিছুটা ফুলে ওঠে। ফলে সকালে ঘুম ভাঙার পর মেরুদণ্ড তুলনামূলক ভাবে বেশি স্পর্শকাতর থাকে। তখন হঠাৎ চাপ পড়লে কোমরে টান, ব্যথা বা শক্ত হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Advertisement

সে ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিতে ঘুম থেকে উঠে বসলে তা ক্ষতি করবে না?

বাঁ বা ডান, কোন দিকে কাত হয়ে বিছানায় উঠে বসছেন, সেটি ভাবনার বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হল, শরীরকে ধীরে ধীরে ওঠার সুযোগ করে দেওয়া। অর্থাৎ আচমকা ঝাঁকুনি না দিয়ে, প্রথমে ধীরে ধীরে এক দিকে কাত হতে হবে। তার পর হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে বুকের কাছে নিয়ে আসতে হবে। পিঠের পেশির বদলে হাতের ভরে শরীরকে তুলে বসাতে হবে। এতে মেরুদণ্ডের উপর চাপ কম পড়ে। তা ছাড়া বিছানার ধারে বসে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করাও জরুরি। কারণ, দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকার পরে শরীরকে হঠাৎ সোজা অবস্থায় মানিয়ে নিতে সময় লাগে। পাশাপাশি, রক্তচাপকেও স্থিতাবস্থায় আসতে হয়। অনেকেই তাড়াহুড়ো করে উঠে বসেন বলে মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা অনুভব করেন। এই ছোট্ট বিরতি সেই ঝুঁকি কমাতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement