পঞ্চাশের পরে নিজেকে বেশি করে ভালবাসতে হবে, কেন এমন বললেন টুইঙ্কল? ছবি: সংগৃহীত।
রজোনিবৃত্তির পর্যায়টা সহজ নয়। এক দিকে যেমন শরীরে নানা পরিবর্তন আসে, তেমনই বদলে যায় মনমেজাজ। সংসার, কাজকর্ম, ছেলেমেয়ের অজস্র ঝড়ঝাপটা সামলে জীবনের মধ্য পর্বে এসে যখন একটু থিতু হওয়ার সময়, তখনই রজোনিবৃত্তি নতুন সঙ্কট ডেকে আনে। শরীর ও মনের নানা পরিবর্তনের সঙ্গে যুঝতে গিয়ে সংসার ও পেশা সামলানো যথেষ্টই কঠিন হয়ে পড়ে। চল্লিশোর্ধ্ব অনেক মহিলাই তাঁদের রজোনিবৃত্তির পর্যায়ে এসে নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন অহরহ। সম্প্রতি টুইঙ্কল খন্নাও নিজের জীবনের এই পর্যায় সম্পর্কে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন তাঁর সমাজমাধ্যমের পাতায়।
সমাজমাধ্যমে টুইঙ্কল তিনটি নিজস্বী পোস্ট করেছেন। মেকআপ ছাড়াই ৫২ বছর বয়সী টুইঙ্কলের ত্বকে বেশ জেল্লা ধরা পড়েছে। পোস্টে অভিনেত্রী অকপটে স্বীকার করেছেন যে রজোনিবৃত্তির পর্যায়টি মহিলাদের জন্য কতটা চ্যালেঞ্জিং। টুইঙ্কল জানিয়েছেন তিনি কী ভাবে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। টুইঙ্কল লেখেন,‘‘একটা সময় মনে হয়েছিল মেনোপজ়ের থেকে কষ্টকর আর বুঝি কিছুই হয় না। ওই সময় অনেক দিন পর্যন্ত নিজেকে মনে হত ত্রুটিপূর্ণ চার্জারযুক্ত একটা ফোন।’’
তবে এই সময়টা বেশ শক্ত থেকেছেন টুইঙ্কল। সুগঠিত রুটিনে বেঁধে ফেলেছিলেন নিজেকে, নিজের প্রতি অনেক বেশি যত্নশীল হয়ে পড়েছিলেন তিনি। টুইঙ্কলের মতে, বয়স হয়েছে ভেবেই সবটা মেনে নেওয়ার পক্ষপাতী নন তিনি। রজোনিবৃত্তির পর্যায়টা কাটিয়ে উঠতে নির্দিষ্ট রুটিন মেনে শরীরচর্চা করা, সঠিক সাপ্লিমেন্ট নেওয়া এবং নিজের প্রতি একটু বেশি যত্নশীল হওয়া দরকার বলে মনে করেন তিনি। টুইঙ্কল বলেন,‘‘আমি এখন অনেকটাই ভাল আছি। বেশি বয়সেও কী ভাবে শরীর ও মনকে সুস্থ রাখা যায় তা শিখে ফেলেছি। নিয়মিত শরীরচর্চা করি, প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট খাই, বই পড়ি নিয়মিত, বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাই।’’
রজোনিবৃত্তির পর্যায়টি কাটিয়ে উঠতে অভিনেত্রী হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির সাহায্য নিয়েছেন। ওমেগা ৩, ভিটামিন ডি, কোলাজেন, ন্যাডের মতো বিভিন্ন ধরনের সাপ্লিমেন্ট খাচ্ছেন তিনি। অভিনেত্রী বলেন, ‘‘সব সাপ্লিমেন্ট সব শরীরে এক রকম কাজ করে না। তাই আপনার শরীরের জন্য কোনটা প্রয়োজন তা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই ব্যবহার করুন।’’