Jamrul for Diabetes

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে জামরুল? কেন এটি নির্ভয়ে খেতে পারেন মধুমেহ রোগীরা

মধুমেহ রোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের ফলের বাটিতে পছন্দের ফল কমই থাকে। জামরুল সেই তালিকায় সুস্বাদু সংযোজন হতে পারে। কেন, তার কারণ জেনে নেওয়া যাক।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ১৭:৪৪
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে কাজে লাগতে পারে জামরুল। মধুমেহ রোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের ফলের বাটিতে পছন্দের ফল কমই থাকে। জামরুল সেই তালিকায় সুস্বাদু সংযোজন হতে পারে। কেন, তার কারণ জেনে নেওয়া যাক।

Advertisement

১. কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স

জামরুলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম। এর অর্থ, ফলটি খাওয়ার পর রক্তে শর্করার বা চিনির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায় না। এটি শরীরে ধীরে ধীরে শোষিত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

Advertisement

২. প্রচুর পরিমাণে জাম্বোসিন

জামরুলে ‘জাম্বোসিন’ নামক একটি বিশেষ ধরনের অ্যালকালয়েড বা জৈব যৌগ থাকে। এটি স্টার্চ বা শ্বেতসারকে চিনিতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াটিকে বাধা দেয় বা ধীরগতির করে। ফলে খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে পারে না।

৩. জলের পরিমাণ বেশি ও ক্যালরি কম

জামরুলের প্রায় ৯১-৯৩ শতাংশই জল। এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।এতে ক্যালরির পরিমাণ অত্যন্ত কম এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি। ফলে এটি খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। আর ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি।

৪. ইনসুলিনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

জামরুলে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং ভিটামিন সি শরীরের কোষগুলোকে সুস্থ রাখে এবং ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীর প্রাকৃতিক নিয়মেই ইনসুলিন হরমোনকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে।

৫. পরিমিতি বোধও জরুরি

জামরুল ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ হলেও, যেকোনো ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা উচিত। প্রতিদিন ১০০-১৫০ গ্রাম (মাঝারি সাইজের ৩-৪টি) জামরুল খাওয়া যেতে পারে। তবে আপনার ডায়াবিটিসের মাত্রা যদি অনেক বেশি থাকে, তবে ডায়েটে যেকোনও পরিবর্তন আনার আগে একবার আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভাল।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement