Yoga for Healthy Skin

ত্বকের বার্ধক্য দূর হবে ব্যায়ামে! দামি প্রসাধনী নয়, তারুণ্য ধরে রাখতে কার্যকরী তিন আসন

ত্বক ভাল রাখারও ব্যায়াম আছে। রাসায়নিক মিশ্রিত প্রসাধনী সাময়িক ভাবে ত্বককে জেল্লাদার করে তোলে মাত্র। ভিতর থেকে কোষের পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবনের জন্য যোগাসনই সবচেয়ে কার্যকরী উপায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:০৯
Share:

চল্লিশেও লাগবে কুড়ির তরুণী, নিয়মিত অভ্যাস করতে পারেন ৩ আসন। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

বয়সের চাকা থামিয়ে ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে কে না চান! বয়স বাড়লে গাল-গলার ভাঁজে স্পষ্ট হয় বলিরেখা। এই পরিবর্তনের গতিকেই শ্লথ করে দেওয়ার জন্য কত না প্রচেষ্টা চলছে! ‘অ্যান্টি-এজিং থেরাপি’ নিয়ে বিশ্ব জুড়েই গবেষণা হচ্ছে। কী ভাবে ত্বককে যৌবনোজ্জ্বল করা যায়, সে নিয়ে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে। তবে যদি সহজ উপায়ে ত্বকে যৌবনের দীপ্তি ধরে রাখতে হয়, তা হলে ভরসা হতে পারে যোগাসনই। তিন ব্যায়াম নিয়মিত অভ্যাসে ত্বকের বয়স কমে যাবে অনেকটাই।

Advertisement

বাজারচলতি ক্রিম বা লোশন কেবল ত্বকের উপরিভাগকে জেল্লাদার করে তোলে। কিন্তু যোগব্যায়ামে ত্বকের ভিতরের কোষের পুনর্গঠন হয়। সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হলে তা ত্বকের কোষেও পৌঁছবে। কোষে কোষে অক্সিজেনের প্রবাহ হতে থাকবে যা ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলিকে মেরামত করবে। ত্বকে স্বাভাবিক উপায়ে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়বে যা বলিরেখা দূর করে তারুণ্য ধরে রাখতে পারবে।

ত্বকের জন্য কার্যকরী কোন কোন আসন?

Advertisement

সর্বাঙ্গাসন

এই আসনটি করা খুব সহজ নয়। তবে এক বার অভ্যস্ত হয়ে পড়লে এই আসন শরীরের পাশাপাশি ত্বকও ভাল রাখতে সাহায়্য করে। প্রথমে হলাসনের মতো চিত হয়ে শুয়ে পড়ে দুই পা উপরে তুলতে হবে। দু’হাতের তালু দিয়ে পিঠ এমন ভাবে ঠেলে ধরুন, যেন ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত এক সরলরখায় থাকে। থুতনিটি বুকের সঙ্গে লেগে থাকবে। দৃষ্টি থাকবে পায়ের আঙুলের দিকে। এমন ভঙ্গিতে পিঠ ও কোমর সোজা রাখতে হবে। শরীরের ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করতে হবে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ৩০ সেকেন্ড গুনুন। তার পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুন।

Advertisement

চক্রাসন

প্রথমে ম্যাটের উপর টান টান হয়ে শুয়ে পড়ুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এ বার ধীরে ধীরে হাঁটু ভাঁজ করুন। পায়ের পাতা যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। দুই হাত ধীরে ধীরে উপরের দিকে প্রসারিত করুন। কনুই উল্টো দিকে ভাঁজ করে নিয়ে যান মাথার দু’পাশে। দু’হাতের তালু দু’কাঁধের তলায় রাখুন। এ বার পা এবং হাতের পাতার উপর ভর দিয়ে পুরো শরীরটাকে মাটি থেকে শূন্যে তুলে নিন। মাথা যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। মাটি থেকে মাথা তুলে নেওয়ার পর গোটা দেহের ভার থাকবে হাত এবং পায়ের পাতায়। শরীরের ভঙ্গি যতটা সম্ভব বৃত্তাকার বা চাকার মতো যেন হয়। এই অবস্থানে থাকুন ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড। আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।

মৎস্যাসন

ম্যাটের উপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাতে ভর দিয়ে কাঁধ মাটি থেকে উপরে তুলতে হবে। এ বার হাত পাশে রাখুন। কাঁধ, পিঠ তুলে রাখতে হবে। এই অবস্থানে অনেকটা মাছের আকৃতির দেখতে লাগবে। ধীরে ধীরে শ্বাস নিন। এই অবস্থানে মাথার পিছন দিকে ভার অনুভব করবেন। ৩–৪ বার গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে সাবধানতার সঙ্গে শুরুর অবস্থানে ফিরে আসুন। ৩–৪ বার অভ্যাস করতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement