বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় ‘বুদ্ধপূর্ণিমা’। একে
‘বৈশাখী পূর্ণিমা’ও বলা হয়ে থাকে। শাক্যমুনি বুদ্ধ
এই পবিত্র তিথিতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলে প্রচলিত বিশ্বাস। শুধু তাই-ই নয়, তাঁর বোধিলাভ এবং
মহাপরিনির্বাণও ঘটে এই বিশেষ তিথিতে। এই কারণে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে তিথিটি অত্যন্ত
পবিত্র। তবে, কেবলমাত্র বৌদ্ধরাই নন, তিথিটিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন হিন্দু
ধর্মাবলম্বীরাও। এই বছর ১ মে, শুক্রবার পড়ছে বুদ্ধপূর্ণিমা।
পুণ্য এই তিথিতে কয়েকটি জিনিস বাড়িতে আনলে জীবনে উন্নতির সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন
জ্যোতিষবিদেরা। জেনে নিন সেগুলি কী কী—
-
বুদ্ধমূর্তি: জরা, ব্যাধি এবং মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার পথ খুঁজতে সাধনা করেছিলেন গৌতম বুদ্ধ। তাঁর মূর্তি বাড়িতে থাকলে তা শান্তি বয়ে আনে বলে মনে করা হয়। ধ্যানমগ্ন মূর্তি আনাই সবচেয়ে ভাল হবে। সেটিকে একটি পরিষ্কার উঁচু স্থানে রাখতে হবে।
-
রুপোর মুদ্রা: রুপো
হল চাঁদের প্রতীক। বৈশাখী
পূর্ণিমায় একটি রুপোর মুদ্রা ঠাকুরের সিংহাসনে স্থাপন করুন বা টাকা রাখার
জায়গায় রেখে দিন। এতে আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটে বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র।
-
কড়ি: কড়ি এককালে ছিল বিনিময়ের মাধ্যম। হিন্দুরা
বিশ্বাস করেন, মা লক্ষ্মীর প্রিয় এগুলি। বুদ্ধপূর্ণিমায় কয়েকটি কড়ি লাল কাপড়ে
মুড়ে সিন্দুকে রাখুন, লক্ষ্মীদেবীর আশীর্বাদ পাবেন বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষশাস্ত্রবিদেরা।
-
শ্রী যন্ত্র: হিন্দুরা মনে করেন, দেবী লক্ষ্মী স্বয়ং
এই যন্ত্রে বাস করেন। বুদ্ধপূর্ণিমায় এটিকে ঘরে স্থাপন করলে উপার্জনের ক্ষেত্রে বহু
নতুন যোগাযোগ হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন অভিজ্ঞ জ্যোতিষীরা।
-
পিতলের হাতি: পিতলের হাতি ঘরে রাখা মানসিক এবং
শারীরিক শক্তির প্রতীক হিসাবে কাজ করে। বুদ্ধপূর্ণিমায়
বাড়িতে এটি আনলে পরিবারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে বলে বিশ্বাস
করা হয়। মূল দরজার দিকে মুখ করে রাখলে এটি নেতিবাচক শক্তিকে বাড়িতে প্রবেশের পথে
বাধা দেয় বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র।