—প্রতীকী ছবি।
কৃতকর্মের ফল সকলকেই ভোগ করতে হয়। শাস্ত্র জানাচ্ছে, গত জন্মে করা ভুল কাজের মাসুল অনেককে পরের জন্মে এসেও মেটাতে হয়। সেই ফল ফাঁকি দেওয়ার সাধ্যি কারও নেই। আমরা আমাদের অজান্তে এমন নানা ভুল করে থাকি যার ফলে আমাদের পাপের বোঝা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে নানা দিক থেকে ভোগান্তি পোয়াতে হয়। তবে কর্মফল ফাঁকি দেওয়া না গেলেও, সেটির প্রভাব কমানোর নানা টোটকার কথা শাস্ত্রে বলা রয়েছে। সেগুলির মধ্যে একটি কার্যকরী উপায় হল কিছু মন্ত্রোচ্চারণ করা। বিশেষ তিন মন্ত্র রয়েছে যা পাঠ করলে কর্মফলের প্রভাব কিছুটা হলেও হ্রাস করা যায়। এরই সঙ্গে নানা দিক থেকে জীবনে উন্নতি সাধনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। কোন তিন মন্ত্র পাঠ করতে হবে জেনে নিন।
ওম নমঃ শিবায়: ছোট্ট এই মন্ত্রের গুণ অনেক। ‘ওম নমঃ শিবায়’ মন্ত্রটি যদি প্রতি সোমবার ১০৮ বার করে উচ্চারণ করা যায়, তা হলে কৃতকর্মের কুপ্রভাব থেকে অনেকটা মুক্তি মেলে। এর ফলে দম্ভ ও রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। মন শান্ত হয়। প্রতি সোমবার উপবাস রেখে, শুদ্ধ বসনে শিবের অভিষেক করার পর বিশেষ এই মন্ত্রটি ১০৮ বার নিষ্ঠাভরে পাঠ করতে হবে। তা হলে খুব ভাল ফল পাওয়া যাবে।
ওম নমঃ নারায়ণ: প্রচলিত বিশ্বাস মতে, নারায়ণ আমাদের সকল কর্মের হিসাব রাখেন। তাঁকে তুষ্ট করা গেলে, খারাপ কর্মফল থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। প্রতি দিন গোধূলি লগ্নে তুলসীমঞ্চে প্রদীপ জ্বেলে ভক্তিভরে ‘ওম নমঃ নারায়ণ’ মন্ত্রটি উচ্চারণ করুন। এর ফলে কৃতকর্মের রূঢ় প্রভাব থেকে যেমন মুক্তি পাবেন, তেমনই সফলতার পথে আসা বিভিন্ন বাধার কবল থেকেও রেহাই মিলবে।
ওম গণ গণপতয়ে নমঃ: গণেশের বীজমন্ত্র পাঠ করলেও খারাপ কাজের ফল থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বুধবার দিনটিকে গণেশের উপাসনার জন্য শ্রেষ্ঠ দিন মনে করা হয়। এই দিন গণেশকে দূর্বা ও মোদক অর্পণ করুন এবং ‘ওম গণ গণপতয়ে নমঃ’ মন্ত্রটি উচ্চারণ করুন। খুব ভাল ফল পাবেন। কৃতকর্মের অশুভ প্রভাব কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে। জীবনে সমৃদ্ধি লাভ করতে পারবেন।