—প্রতীকী ছবি।
শাস্ত্রমতে সফলতা প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে গজানন বা গণেশের পুজো করা হয়। গণেশের জন্মের পর দেবী পার্বতী দেবতাদের তাঁর পুত্রকে আশীর্বাদের উদ্দেশ্যে আমন্ত্রণ করেন। সকলের সঙ্গে নিমন্ত্রিত হন শনিদেবও। শনিদেব অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যান। শনিদেব যে মুহূর্তে গণেশকে আশীর্বাদ করার উদ্দেশে গণেশের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন, সেই মুহূর্তে গণেশের মস্তক ভস্মীভূত হয়। পরবর্তী কালে দেবতাদের তৎপরতায় হস্তীমস্তক বসানো হলে দেবী পার্বতী ক্ষিপ্ত হন শ্রী গণেশ দেবতা হিসাবে মান্যতা পাবেন কি না সেই ভেবে। অবশেষে দেবতাগণ পার্বতী মাতাকে আশ্বস্ত করেন। সকল দেবতারা আশীর্বাদ দান করেন, যে কোনও শুভ কাজের শুরুতে শ্রী গণেশের পুজো এবং গণেশবন্দনায় সফলতা প্রাপ্ত হবে।
আগামী ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার শ্রীশ্রী গণেশ চতুর্থী, বিনায়ক চতুর্থী, বরদা চতুর্থী।
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে–
চতুর্থী আরম্ভ–
বাংলা– ৭ মাঘ, বুধবার।
ইংরেজি– ২১ জানুয়ারি, বুধবার।
সময়– রাত ২টো ৪৯ মিনিট।
চতুর্থী তিথি শেষ–
বাংলা– ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার।
ইংরেজি– ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার।
সময়– রাত ২টো ২৯ মিনিট।
শ্রীশ্রী বিনায়ক চতুর্থী ব্রত, গণেশপুজো।
গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা অনুসারে –
চতুর্থী আরম্ভ–
বাংলা– ৭ মাঘ, বুধবার।
ইংরেজি– ২১ জানুয়ারি, বুধবার।
সময়– রাত ২টো ২১ মিনিট ১৪ সেকেন্ড।
চতুর্থী তিথি শেষ–
বাংলা– ৮ মাঘ, বৃহস্পতিবার।
ইংরেজি– ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার।
সময়– রাত ১টা ৩৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড।