ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
অফিসে আসার কথা ভাবলেই কান্না পায়। আবার কর্মক্ষেত্রে এসেই কাজে মন বসে না। সময়ে কাজ গুছিয়ে উঠতে পারেন না। প্রতি দিনই কাজের পাহাড় জমা হতে থাকে ডেস্কে। ঘন ঘন বিরতি নিতে ইচ্ছে করে। সহকর্মীদের সঙ্গে গল্পগুজব মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায়। জ্যোতিষমতে, এই ধরনের সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে জন্মছকের কিছু ত্রুটি। সমস্যা যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে তার প্রতিকার। কর্মক্ষেত্রে মনোযোগ বৃদ্ধির উপায়ের হদিস রইল এই প্রতিবেদনে।
জ্যোতিষমতে, যদি কোনও ব্যক্তির জন্মপত্রিকায় চন্দ্রের দোষ থাকে তবে তা কাজেকর্মে মনোযোগের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। সোমবার চন্দ্রের পুজো-অর্চনা করলে ভাল ফল মেলে। এ ছাড়াও দেবাদিদেব মহাদেবের কাছে প্রার্থনা করলে চন্দ্র শান্ত হতে পারে।
যদি কোনও জাতক-জাতিকার কোষ্ঠীতে বুদ্ধির গ্রহ বুধ দুর্বল থাকে, তবে বুধবার ভগবান গণেশের পূজা করার পরামর্শ দেয় জ্যোতিষশাস্ত্র। এ ক্ষেত্রে পার্বতী-পুত্রকে নারকেল, বেসনের মিষ্টি (বেসনের লাড্ডু) এবং ঘাসের মতো নৈবেদ্য দিলে তা ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করা হয়।
চারমুখী রুদ্রাক্ষ একাগ্রতা, স্মৃতিশক্তি এবং মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে। অন্য দিকে, ষড়মুখী রুদ্রাক্ষ অস্থিরতা কমায় এবং পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায়। কাজেকর্মে মন একাগ্র করতে শিবের প্রিয় বীজ রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারেন জাতক-জাতিকারা।
দুর্বল বুধকে শক্তিশালী করতে অনামিকায় পান্না পরার নিদান দেন জ্যোতিষীরা। পান্না বুধের সঙ্গে সম্পর্কিত। জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয় যে এই রত্নটি বুদ্ধি, মনোযোগ এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি করে। তবে পান্না ধারণ করার আগে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
বুধবার সবুজ রঙের পোশাক পরুন এবং সবুজ মুগ ডাল দান করুন। এ ছাড়াও বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করতে ‘ওম’ এই মন্ত্রটি জপ করতে পারেন।