দুই খুনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দশ জনের

পৃথক দু’টি খুনের মামলা। দু’টিতেই যাবজ্জীবন কারাবাসের রায় শোনাল শিলচর আদালত। পাঁচজন করে মোট দশজনকে দোষী ঘোষণা করা হয়। একটি মামলায় ৭৫ বছরের বৃদ্ধ, তাঁর স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইপোর সাজা হয়েছে। অন্য মামলায় সারা জীবনের জন্য জেলে ঢুকতে হল ৮৫ বছরের পিতা ও তাঁর চার ছেলেকে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:৩৭
Share:

পৃথক দু’টি খুনের মামলা। দু’টিতেই যাবজ্জীবন কারাবাসের রায় শোনাল শিলচর আদালত। পাঁচজন করে মোট দশজনকে দোষী ঘোষণা করা হয়। একটি মামলায় ৭৫ বছরের বৃদ্ধ, তাঁর স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইপোর সাজা হয়েছে। অন্য মামলায় সারা জীবনের জন্য জেলে ঢুকতে হল ৮৫ বছরের পিতা ও তাঁর চার ছেলেকে।

Advertisement

প্রথম খুনের ঘটনাটি ঘটে ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর। জমি বিবাদে প্রাণ হারান মতিবুর রহমান বড়ভুইয়া নামে এক যুবক। বাঁশকান্দি আলগাপুরে দলবদ্ধ হামলায় সেদিন চারজন জখম হয়েছিলেন। অন্য তিনজন বেঁচে গেলেও মতিবুর মারা যান। তদন্ত করে পুলিশ ছ’জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয়। ১১ বছর মামলা চলার পর আজ কাছাড়ের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক পি কে ভট্টাচার্য পাঁচজনকে দোষী বলে ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা শোনান তাদের। একই সঙ্গে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা। অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেল। রায় ঘোষণা হতেই এজলাসে কান্না জোড়েন ৭৫ বছরের বৃদ্ধ মকব্বির আলি বড়ভুইয়া, স্ত্রী আফতারুন্নেসা (৬৫), ছেলে ফকরুল ইসলাম (৩৫), মেয়ে রঞ্জনা বেগম (২৭) ও ভাইপো আমরুল ইসলাম (৪০)। পুলিশ পরে তাদের সবাইকে শিলচর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে নিয়ে যায়।

দ্বিতীয় মামলাটি কালাইন ধুমকর এলাকার সুন্দাউরা গ্রামের। এতে ৮৫ বছরের বৃদ্ধ আব্দুল সঈদ লস্কর ও তার চার ছেলে ফয়জুল ইসলাম (৪৪), ফকরুল ইসলাম (৪১), খায়রুল ইসলাম (৩৮) ও দিদারুল ইসলাম লস্কর (৩৫)-কে সারা জীবনের জন্য জেলে ঢুকতে হয়েছে। তথ্য প্রমাণের অভাবে নিষ্কৃতি পেলেন বাকি পাঁচ অভিযুক্ত। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। এ ক্ষেত্রেও, জমি বিবাদে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আব্দুল মনাফ নামে একজনের মৃত্যু হয়। তদন্তের পর পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। মামলা চলাকালীন এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement