এই খালের উপরই ছিল লোহার সেতুটি। ছবি: সংগৃহীত।
রাতেও ছিল। কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে এলাকাবাসী দেখেন নেই। রাতারাতি উধাও একটা গোটা লোহার সেতু!
শুনতে অবাক লাগলেও এমনই ঘটেছে ছত্তীসগঢ়ের কোরবা জেলায়। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই সেতুর ওজন ছিল অন্তত ৩০ টন। দৈর্ঘ্যে ৬০ ফুট। ওই সেতুর কোনও অংশই অবশিষ্ট রাখেনি চোরেরা। এমন অদ্ভুত চুরির আগে কখনও ঘটেছে কি না, তা স্মরণ করতে পারছেন না অনেকেই।
প্রায় চার দশক আগে স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার্থে খালের উপর তৈরি করা হয়েছিল সেতুটি। রেলপথে যে ধরনের লোহাত পাত দিয়ে সেতু তৈরি হয়, তেমনই সেতু ছিল ওই খালের উপর। সেতুর নীচের অংশে ছিল লোহার মোটা পাত। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমান, ওই সেতু তৈরি করতে বর্তমান বাজারে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হত!
প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর জানা গিয়েছে, ওই সেতুটি খুব পরিকল্পিত ভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। গ্যাস কাটার দিয়ে কাটা হয়েছে। খালের দু’প্রান্তে গ্যাস কাটার দিয়ে কাটার চিহ্নও রয়েছে। শুধু লোহার সেতু নয়, স্থানীয় জলের পাইপ লাইনের ৪০ ফুট দীর্ঘ লোহার অংশ কেটে নিয়ে পালিয়েছে চোরের দল।
স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর লক্ষ্মণ শ্রীবাস বলেন, ‘‘সেতুটি চার-পাঁচ ফুট চওড়া ছিল। রাতারাতি সেটিকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’’ অভিযোগ পেয়ে চুরির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। লোহা লক্করের কারবারের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় দুই ডিলারের বাড়িতেও হানা দেয় তারা। তবে এখনও পর্যন্ত না লোহার সেতু, না চোর— কারও সন্ধান পায়নি পুলিশ। চোরেদের খোঁজে জোর তল্লাশি চালাচ্ছে বিভিন্ন দিকে।