—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
ভরা এজলাসে বিচারককে খুনের হুমকি দিল খুনেরই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি। তাদের হুঁশিয়ারি, তারা বিচারকের বাড়ি চেনে। তাকে খুন করবে। শুধু তা-ই নয়, ছাড়বে না ১৪ বছর আগে খুন হওয়া ব্যক্তির মেয়েকেও। যাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে এই মামলা।
ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবারের। উত্তরপ্রদেশের জেলা ও দায়রা আদালতের। ২০১৪ সালের একটি খুনের মামলার দুই প্রধান অভিযুক্ত জয়দীপ সিংহ (৩৫) এবং পিন্টু চৌহানকে (৩০) দোষী সাব্যস্ত করে বিচারক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে দুই অপরাধী। চিৎকার করতে শুরু করে তারা। ফলে আদালতে উত্তেজনা ছড়ায়। আদালত প্রশাসনের নির্দেশে পুলিশ এসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘেরাটোপে বিচারককে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সেখানেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
২০১৪ সালের মে মাসের একটি খুনের মামলা দিয়ে ঘটনার শুরু। মাতুরা দুর্গা গ্রামের পোখরাজ সিংহের মেয়ের বিয়ে হয়েছিল জয়দীপের ভাইয়ের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই পণের দাবির জেরে ওই মহিলার উপরে অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ। শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। মূল মামলাকারী অবশ্য ছিলেন পোখরাজ। এর কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তায় একটি গাড়ি পিষে মারে তাঁকে। পোখরাজের মেয়ের অভিযোগ ছিল, শ্বশুরবাড়ির লোকজনই বাবাকে খুন করেছে। তার পরেই খুনের দুই অভিযুক্ত-সহ ওই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার দোষী সাব্যস্ত করা হয় জয়দীপ এবং পিন্টুকে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে