Rajya Sabha

কংগ্রেসের আপত্তিতে কর্ণপাত করল না কমিশন, মধ্যপ্রদেশে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার তিন বিজেপি প্রার্থী জয়ী

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ঝাড়খণ্ডে রাজ্যসভা ভোটে বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির বিরুদ্ধে নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠলেও তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেনি কমিশন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ২৩:১৪
Share:

(বাঁ দিক থেকে) জয়ের শংসাপত্র হাতে রজনীশ অগ্রবাল, তরুণ চুঘ এবং মহেশ কেওয়াট। ছবি: পিটিআই।

রাজ্যসভার প্রার্থিপদ বাতিলের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেত্রী মীনাক্ষী নটরাজন। যে পদ্ধতিতে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তা চ্যালেঞ্জ করার পাশাপাশি দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন শীর্ষ আদালতে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের অপেক্ষা না করেই বৃহস্পতিবার তড়িঘড়ি বিজেপির তিন প্রার্থী— তরুণ চুঘ, রজনীশ অগ্রবাল এবং মহেশ কেওয়াটকে ‘বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী’ ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন।

Advertisement

মধ্যপ্রদেশে থেকে মীনাক্ষীকে রাজ্যসভায় পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু মনোনয়নের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় একটি ফৌজদারি মামলার কথা গোপন করার অভিযোগে তাঁর মনোনয়নপত্রই মঙ্গলবার বাতিল করে দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার। বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতেই এমন পদক্ষেপ করা হয়। যদিও মীনাক্ষী মামলা গোপন করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মীনাক্ষীর প্রার্থিপদ বাতিল হওয়ার বিষয়টি নিয়ে বুধবার কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে জানিয়েছিল, মীনাক্ষীর বিরুদ্ধে বাস্তবে এমন কোনও ফৌজদারি মামলা নেই। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে শুধু একটি নোটিস পাঠিয়েছিল আদালত। মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ। কিন্তু সেই যুক্তি মানল না কমিশন।

তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ঝাড়খণ্ডে রাজ্যসভা ভোটে বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির বিরুদ্ধে নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠলেও তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেনি কমিশন। প্রসঙ্গত, ২৩০ আসনের মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় শাসকদল বিজেপির ১৬৩ এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের ৬৬ জন বিধায়ক রয়েছেন। আগামী ১৮ জুন তিনটি রাজ্যসভা আসনে সেখানে ভোট হওয়ার কথা ছিল। জয়ের জন্য কোনও প্রার্থীকে অন্তত ৫৮টি প্রথম পছন্দের ভোট পেতে হত। পরিষদীয় পাটিগণিতের হিসাবে বিজেপির দু’টি এবং কংগ্রেসের একটি আসনে জয় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু কংগ্রেস একটি আসনে লড়লেও বিজেপি তিনটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছিল। কংগ্রেস আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল, হরিয়ানা-হিমাচলের মতোই ঘুরপথে জয়ের ছক কষছে বিজেপি। কার্যক্ষেত্রেও সেটাই হল।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement