Himanta Biswa Sarma

হিমন্তের শপথে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত, উঠছে একাধিক প্রশ্ন

এর আগেও সের্জিওকে দেখা গিয়েছে লেফটেন্যান্ট জেনারেলের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পৌঁছে যেতে। কূটনৈতিক শিবিরের মতে, বিষয়টিতে কোনও সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এমনটা নয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ০৯:১৮
Share:

(বাঁ দিকে) সের্জিও গোরকে এবং হিমন্তবিশ্ব শর্মা (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণে বিদেশি রাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধির উপস্থিতি কূটনৈতিক বিধিবদ্ধতার প্রশ্নে এক বিরল ঘটনা। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকার প্রেসিডেন্টের পদে দ্বিতীয় দফায় বসার পর, বিরল ঘটনাই হয়ে উঠেছে প্রচলিত নিয়ম, এমনটাই মনে করছে কূটনৈতিক মহল! পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে জয়ের পর ট্রাম্প প্রথা ভেঙে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। এ বার অসমে হিমন্তবিশ্ব শর্মার দ্বিতীয়বারের জন্য শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা গেল ভারতে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত সের্জিও গোরকে। বিষয়টি নিয়ে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হলেও বিদেশ মন্ত্রক বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি। পরে গোর নিজেই তাঁর এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে জানান, অসমের সঙ্গে আমেরিকার বহু বাণিজ্যিক অংশীদারি রয়েছে।

এর আগেও সের্জিওকে দেখা গিয়েছে লেফটেন্যান্ট জেনারেলের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পৌঁছে যেতে। কূটনৈতিক শিবিরের মতে, বিষয়টিতে কোনও সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এমনটা নয়। কিন্তু দু’টি রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যেই দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং আদানপ্রদান হওয়ার রীতি। অবশ্যই সৌজন্যমূলক ভাবে রাষ্ট্রদূত কোনও রাজ্যে যেতেই পারেন, সেখানকার নেতৃত্বের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং তার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে। অথবা দ্বিপাক্ষিক কোনও চুক্তি বা আদানপ্রদানের মধ্যে যদি কোনও রাজ্যের বিশেষ ভূমিকা থাকে তা হলে অবশ্যই অতিথি রাষ্ট্রদূত সেই দেশের রাজ্যে গিয়ে নেতৃত্বের সঙ্গেকথা বলবেন। তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়িত করতে বার বার শেখ হাসিনা সরকারের নেতাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। দু’দেশের মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তির সময় ২০১৫ সালে মমতা নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ঢাকাতেও যান। কিন্তু দেশের কোনও রাজ্যে শপথ গ্রহণের মতো সরকারি অনুষ্ঠানে কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতিনিধির উপস্থিতি কূটনৈতিক সৌজন্য বা প্রোটোকলের মধ্যে পড়ে না, এমনটাই জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।

প্রসঙ্গত গুয়াহাটির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে গোর লিখেছেন, ‘আমেরিকা এবং অসমের মধ্যে বহু বাণিজ্যিক অংশীদারি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভবিষ্যতে আমরা এমন অনেক জায়গায় পৌঁছতে পারব, যেখানে দু’টি রাষ্ট্রই লাভবান হবে’। পরে হিমন্তের সঙ্গে দেখা করেন সের্জিও। সাক্ষাতের সময় হিমন্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূতকে ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া ফুলামো গামোছা দেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্যধন্যবাদ জানান।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন